নিরঞ্জন দে

১৯ জুন, ২০২৬ ২৩:২০

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস : উদযাপনে ও সচেতনতায় নব যাত্রার সূচনা হোক

রোজ হাঁটতে বের হলেই পরিচিত লোকজন জিজ্ঞেস করে, 'আপনার কি ডায়বেটিস হয়েছে?' এর মানে, ডায়বেটিস হলেই বুঝি হাটতে হয়, তার আগে নয়! কোথাও কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে গেলে শুভানুধ্যায়ীদের কমন একটি প্রশ্ন, 'আহা! আপনি এমন শুকিয়ে গেছেন কেনো?' কখনো কখনে এসব প্রশ্নের শব্দচয়ন ম্যানার বা ভদ্রতার সীমা ছাড়ায়।

তবুও হাসিমুখে মেনে নিয়ে বলি, "এটা আমার ইচ্ছেকৃত।" তখন উনাদের এক্সপ্রেশন দেখে বুঝতে পারি উত্তরটা বুঝতেই পারেননি বা মনমতো হয়নি। কেউ কেউ একটু দাবী নিয়ে বাড়িয়ে বলেন,'বৌদি কি ঠিকমতো খাবার দেয়না আপনাকে? বেশিকরে খাবেন'।

এই হচ্ছে আমাদের বাস্তবতা। অতিরিক্ত খাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাওয়া, অনিয়মিত জীবনযাপন, অলসতা, বিলাসবহুল চলাফেরা এসব নিয়ে আমরা প্রত্যেকে এক একটা মাইন্ডসেটে আটকে পড়েছি। বেশি খাওয়া যেমন ভালো নয়, খুব কম খাওয়াও ভালো নয়। খুব হালকা পাতলা শরীর হলেই আপনি সুস্থ আছেন এটা যেমন সঠিক নয়, ঠিক তেমনি অতিরিক্ত মেদভুড়িঁ নিয়ে নাদুসনুদুস শরীরটাও সুস্থতার লক্ষণ নয়। সুস্থতা একটা সামগ্রিক বিষয়। দেহ, মন, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন প্রণালী, চিন্তা-চেতনা সবকিছু মিলিয়ে আপনি সুস্থ হলেই সেটা গ্রহণযোগ্য। বর্তমান সময়ে যা অনেকের ক্ষেত্রেই অনুপস্থিত।

আজকাল অনেক শিশুরা অতিরিক্ত মোটা হয়ে ফিজিক্যাল ফিটনেস হারাচ্ছে। শিশু, কিশোর, যুবক অনেকেই সোজা হয়ে মাটিতে আসন করে বেশিক্ষণ বসতে পারেননা। সোজা হয়ে দাঁড়াতেও কষ্ট হয় তাদের। অথচ প্রায় মা-বাবা মনে করেন বেশি বেশি ডিম, মাংস, ভাত খেলেই সন্তানরা স্বাস্থ্যবান হবে। শারীরীক পরিশ্রম, খেলাধুলা, মানসিক প্রশান্তি, আনন্দময় পরিবেশ এসব অনেকে গুরুত্ব দেন না এবং আরবান সোসাইটিতে ছোট ছোট ফ্ল্যাট বাড়িতে থেকে অনেককিছুই করা সম্ভবও হয়না। আধুনিক সভ্যতা মানুষের জীবনকে যেমন প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করেছে, তেমনি জীবনযাত্রাকে করেছে অধিকতর ব্যস্ত, যান্ত্রিক এবং চাপপূর্ণ।

দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, শারীরিক পরিশ্রমের ঘাটতি এবং ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের ফলে আজ বিশ্বজুড়ে মেদভুঁড়ি, স্থূলতা, উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং জীবনযাত্রাজনিত রোগ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পেটের অতিরিক্ত মেদ বা মেদভুঁড়ি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যের সমস্যা নয়; এটি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার, স্ট্রোক, হরমোনজনিত জটিলতা এবং ক্যান্সারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। পেটের অভ্যন্তরে জমে থাকা ভিসেরাল ফ্যাট শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

একইসঙ্গে অনেক মানুষ দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম হলেও দীর্ঘমেয়াদে সেই ওজন ধরে রাখতে পারেন না। কারণ ওজন নিয়ন্ত্রণ কেবল খাদ্যাভ্যাসের বিষয় নয়; এটি মানসিকতা, আবেগ, জীবনধারা, ঘুম, হরমোনের ভারসাম্য এবং দৈনন্দিন অভ্যাসের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। টেকসই ওজন ব্যবস্থাপনার জন্য তাই সামগ্রিক বা হোলিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।

অন্যদিকে, মানসিক চাপ বা স্ট্রেস আধুনিক যুগের নীরব মহামারী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা পেটের মেদ বৃদ্ধি, ঘুমের ব্যাঘাত, আবেগগত অস্থিরতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস এবং বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্ম দেয়। ফলে মেদভুঁড়ি, ওজন বৃদ্ধি এবং মানসিক চাপ-এই তিনটি বিষয় পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
এই প্রেক্ষাপটে যোগাভ্যাস এবং নানা ধরণের কলাকৌশলের মাধ্যমে ওয়েট মেন্টেনেন্স একটি বড় সমাধান হতে পারে। এটি কেবল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ বা ব্যায়ামের পরামর্শ প্রদান নয়; বরং মানুষের মন, শরীর ও আত্মার সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য, ভারসাম্য এবং সুস্থতার ভিত্তি গড়ে তোলে।

একজন ভালো প্রশিক্ষক আগ্রহী ব্যক্তিকে এমন একটি জীবনধারা গড়ে তুলতে সাহায্য করেন, যেখানে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, যোগব্যায়াম, মানসিক প্রশান্তি, আত্মসচেতনতা এবং উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনযাপন পরিপূরক হয়ে জীবনের সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করে। এক্ষেত্রে বিশেষ করে যোগব্যায়াম (Yoga), প্রাণায়াম (Pranayama), ধ্যান (Meditation) মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং মাইন্ডফুলনেস চর্চা মেদভুঁড়ি নিয়ন্ত্রণ, ওজন ব্যবস্থাপনা এবং স্ট্রেস কমাতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এগুলো কেবল ক্যালোরি খরচ করে না; বরং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে, মানসিক স্থিতি বৃদ্ধি করে এবং ব্যক্তি জীবনে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা গড়ে তোলে।

এই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির আলো মানুষের জীবনকে বাহ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি, শারীরিক সুস্থতা এবং আত্মিক বিকাশের পথে পরিচালিত করে। তাই বর্তমান সময়ে স্বাস্থ্যকর, ভারসাম্যপূর্ণ ও অর্থবহ জীবন গঠনের ক্ষেত্রে হোলিস্টিক লাইফ কোচিং একটি শক্তিশালী ও রূপান্তরমূলক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বের দ্রুতগতির জীবনযাত্রা মানুষের জীবনকে যেমন গতিশীল করেছে, তেমনি নিয়ে এসেছে নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সংকট। শারীরিক পরিশ্রমের ঘাটতি এবং ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের ফলে আজ মেদভুঁড়ি, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উদ্বেগ, হতাশা ও অনিদ্রার মতো সমস্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষ করে পেটের অতিরিক্ত চর্বি বা মেদভুঁড়ি শুধু সৌন্দর্যহানির কারণ নয়; এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চারপাশে জমে থেকে নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ভিসারাল ফ্যাট হৃদরোগ, স্ট্রোক, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার এবং হরমোনজনিত নানা সমস্যার অন্যতম কারণ। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ওজন মানুষের আত্মবিশ্বাস, কর্মক্ষমতা এবং মানসিক সুস্থতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ বা স্ট্রেস মানুষের শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে, যা ক্ষুধা বাড়ায়, ওজন বৃদ্ধি ঘটায় এবং পেটের চারপাশে চর্বি জমার প্রবণতা ত্বরান্বিত করে। ফলে স্ট্রেস, অতিরিক্ত ওজন এবং শারীরিক অসুস্থতা একটি দুষ্টচক্র তৈরি করে, যেখান থেকে বেরিয়ে আসা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এই বাস্তবতায় কেবল ডায়েট বা ব্যায়ামই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন জীবনকে সামগ্রিকভাবে দেখার একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি। এখানেই ইয়োগার গুরুত্ব অপরিসীম।

যোগ-শাস্ত্র মানুষের মন, শরীর ও আত্মার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করে এমন একটি জীবনধারা গড়ে তুলতে সাহায্য করে, যা দীর্ঘমেয়াদে সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি এবং জীবনের পূর্ণতা এনে দিতে পারে।

হোলিস্টিক লাইফ কোচিং হলো এমন একটি সমন্বিত উন্নয়ন প্রক্রিয়া, যেখানে একজন মানুষকে শুধুমাত্র তার সমস্যা বা লক্ষ্য দিয়ে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখানে শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক অবস্থা, আবেগগত ভারসাম্য, সম্পর্ক, জীবনযাত্রা এবং আধ্যাত্মিক বিকাশকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পরিকল্পনা তৈরি করা। ওজন নিয়ন্ত্রণ ও মেদভুঁড়ি কমানোর কৌশল নির্ধারণ। মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা। আত্মবিশ্বাস ও আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি। ধ্যান, মাইন্ডফুলনেস ও যোগচর্চার নির্দেশনা জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণে সহায়তা সম্পর্ক উন্নয়ন ও আবেগগত নিরাময় ওজন মেইনটেন্যান্স ও হোলিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গি সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।

অনেকেই দ্রুত ওজন কমানোর জন্য কঠোর ডায়েট অনুসরণ করেন। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, কিছুদিন পর ওজন আবার বেড়ে যায়। কারণ সমস্যার মূল কারণগুলো চিহ্নিত না করে এবং তা নিরসন না করে শুধু ডায়েট করে তা হবেনা। ওজন কমানোর পাশাপাশি ওজন ধরে রাখার গুরুত্বও রয়েছে। এর জন্য প্রয়োজন- সুষম ও সচেতন খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, ইতিবাচক মানসিকতা, দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা, নিয়মিত যোগাসন, প্রাণায়াম ও ধ্যান করা।

এই বিষয়গুলোকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট আজকাল সুস্থ জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি। স্ট্রেসকে আজকের সময়ের নীরব ঘাতক বলা হয়। অতিরিক্ত মানসিক চাপ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করে, আবেগগত ভারসাম্য নষ্ট করে এবং শারীরিক অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ায়, পেশাগত ও সামাজিক নানা ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

যোগব্যায়াম করলে মন, শরীর ও আত্মার সেতুবন্ধন তৈরী হয়। একটা আনন্দময় পবিত্র ভাব আসে মনে। তাই যোগ কেবল একটি শারীরিক ব্যায়াম নয়; এটি একটি জীবনদর্শন, যা মানুষের শরীর, মন এবং আত্মার মধ্যে সুষম সংযোগ স্থাপন করে। নিয়মিত যোগচর্চার মাধ্যমে মেদভুঁড়ি ও অতিরিক্ত ওজন কমানো সম্ভব। এতে বিপাকক্রিয়া উন্নত হয়, শরীরকে নমনীয় ও শক্তিশালী করে, মানসিক চাপ কমায়, মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে, ঘুমের মান উন্নত করে, আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করে,আবেগগত ভারসাম্য রক্ষা করে। কেবল রোগমুক্ত থাকার নামই সুস্থতা নয়; সুস্থতা হলো শরীরের প্রাণশক্তি, মনের প্রশান্তি, আবেগের ভারসাম্য এবং আত্মিক পরিতৃপ্তির সমন্বিত অবস্থা। আমাদের জটিল জীবনে মেদভুঁড়ি, অতিরিক্ত ওজন, মানসিক চাপ কিংবা জীবনের উদ্দেশ্যহীনতা-এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান তখনই সম্ভব হয়, যখন আমরা মানুষকে সামগ্রিকভাবে দেখতে শিখি।

যোগাভ্যাস এবং হোলিস্টিক লাইফ কোচিং সেই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন। এটি মানুষকে কেবল সুস্থ হতে নয়, বরং সচেতন, ভারসাম্যপূর্ণ , আত্মবিশ্বাসী এবং উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবন গড়ে তুলতে সহায়তা করে। যার ফলে সচেতন জীবনচর্চা ও ইতিবাচক অভ্যাসের মাধ্যমে এই যাত্রা হয়ে উঠতে পারে আরও গভীর, অর্থবহ ও রূপান্তরময়। আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রাক্কালে আমাদের সকলের দৈহিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য আশাবাদী হওয়া প্রয়োজন এবং কালক্ষেপণ না করে দ্রুত যোগ সাধনায় যথাসাধ্য আত্মনিয়োগ করা প্রয়োজন। এ উপলক্ষে ২০ জুন, শনিবার সকাল ১০ টায় আমান উল্লাহ কনভেনশন সেন্টারে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন, সিলেট আয়োজন করেছেন এক বিশাল যোগা প্রশিক্ষণ কর্মশালা। প্রশিক্ষণ পরিচালনায় থাকবেন যোগা প্রশিক্ষক ও হোলিস্টিক ওয়েলনেস কোচ, ট্রিপল এ' র প্রতিষ্ঠাতা পদ্মশ্রী দে।

মেদভুড়িঁ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য ও জীবনযাপন প্রণালী, অস্থিরতা এ সকল ক্ষতিকারক বিষয় গুলোর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরী হোক। সকলে দেহ ও মনে সুস্থ থেকে সুস্থ ও আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে নিয়োজিত হই। সুস্থতাই সফলতার প্রথম সোপান - এটা যেনো সকলে ভুলে না যাই।

নিরঞ্জন দে - লেখক, প্রামাণ্যকার ও সংগঠক

আপনার মন্তব্য

আলোচিত