সিলেটটুডে ডেস্ক

০১ নভেম্বর, ২০১৫ ১২:০৬

ধর্মীয় উগ্রবাদীদের শাস্তি বিধানে সরকারের প্রতি আহবান বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিলের

ধর্মীয় উগ্রবাদীদের দ্বারা মুক্তচিন্তার লেখক প্রকাশক ও সংগঠকদের একের পর এক নৃশংসভাবে হত্যা করার পরও সরকারের নির্বিকার আচরণের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিল।

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেবজ্যোতি রুদ্রের নামে পাঠানো বিবৃতি বলা হয়,

আন্তর্জাতিক মহলের চাপে বারবার সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে— “হত্যাকারীর দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে”। সরকারী মহলের অনৈতিক গঞ্জনা সহ্য করেও আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম, হয়তো সত্যিকার অর্থেই মৌলবাদের প্রকৃত ভয়ঙ্কর রূপ অনুধাবন করতে সক্ষম হবে সরকার এবং দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু শনিবার দুপুরে মুক্তমনা বইয়ের অন্যতম প্রকাশক শুদ্ধস্বর’র মালিক আহমেদ রশীদ টুটুল সহ তিন লেখককে মারাত্মকভাবে জখম করার পর আবার যখন সন্ধ্যায় আরেক প্রকাশক জাগৃতি’র মালিক ফয়সাল আরেফিন নিজ অফিসেই খুন হন, তখন ভয় জাগে, হয়তো আমাদের এই দেশে আমরা থাকি তা সরকার বাহাদুর চায় না। নইলে কেন এই নীরব প্রশ্রয়? কেন এই অযথা দোষারোপ?

উগ্রবাদীদের বিচার না করলে পরিণতি খুবই ভয়াবহ রূপ নেবে উল্লেখ করে তারা বলেন- "মুক্তচিন্তার আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে গতিশীল করার যে প্রক্রিয়া বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠন শুরু করেছিলো যে কোন পরিস্থিতিতে তা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ধর্মসন্ত্রাসী এবং তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের আটক করে দেশকে সত্যিকার অর্থেই প্রগতির পথে এগিয়ে নেয়ার যে কথা নানান সময়ে আপনারা বলে থাকেন, সেসবের প্রমাণ বাস্তবেও দিন। নইলে সেদিন কিন্তু খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন দেশজুড়ে মাথা তো থাকবেই, কিন্তু সেই মাথায় কোন জ্ঞান থাকবে না।"


বিবৃতীতে সভ্যতা ধ্বংসের যে সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত রুখে দিতে সকল সচেতন ও দেশপ্রেমী মানুষের প্রতিও আহবান জানান তারা।
আমাদের মেরে ঠেকানো যাবে কি গণজোয়ারের ঢেউ?

আপনার মন্তব্য

আলোচিত