২২ নভেম্বর, ২০১৫ ০২:৫১
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে দাফন করা হবে তাদের নিজ নিজ এলাকায়।
চট্টগ্রামের রাউজানে সাকা ও ফরিদপুরে মুজাহিদের মরদেহ দাফন করা হবে।
রাউজানের গহিরা গ্রামে চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক গোরস্তানে সাকা চৌধুরীর কবর খোঁড়া হয়। সেখানে তার ছোট ভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবরে পাশে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ রাউজানে সাকার মরদেহ নিয়ে যাওয়া প্রতিহতের ঘোষণা দেয়। তারা রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নং গেটের সামনে গাছের গুঁড়ি দিয়ে সড়কে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করে। তবে পুলিশ প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দেয়।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে আলবদর বাহিনীর প্রধান আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বাড়ি ফরিদপুরের খাবাসপুর এলাকায়। জামায়াত নেতাকর্মীদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠান আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসার এককোণে তাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলীয় নেতাকর্মী ও তার স্বজনেরা।
শনিবার রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আলাদা আলাদাভাবে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আইজি (প্রিজন)।
উল্লেখ্য, এ দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় ছিল। সাকা চৌধুরী ছিলেন এরশাদ সরকারের মন্ত্রী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বেগম খালেদা জিয়া সরকারের আমলের মন্ত্রীর পদমর্যাদার প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং আলী আহসান মুজাহিদ ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এবং খালেদা জিয়ার সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
আপনার মন্তব্য