০৫ জুন, ২০২২ ০১:০৮
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার একটি কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে আগুনে তিন জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট কাজ করছে। তবে কনটেইনার ডিপোতে কোনো পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আনিসুর রহমান।
আগুনে বেশ হতাহতের আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। এরই মধ্যে আহত ২০ জনকে বিভিন্ন মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। মরদেহ জরুরি বিভাগের সামনে রাখা হয়েছে।’
ফায়ার সার্ভিস জানায়, শনিবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় তারা। এরপর তাদের আটটি ইউনিট কাজ শুরু করে। কিছু পরে সেখানে যোগ দেয় আরও সাতটি ইউনিট।
রাত ১১টার দিকে ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতেকনটেইনার বিস্ফোরণ শুরু হয়। এতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে।
কিছু পর পর কনটেইনার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে।
বিস্ফোরণের বিকট শব্দে অনেক বাসাবাড়ির জানালার কাচ ভেঙে গেছে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ভয়ে অনেকে মালামাল সরানোর চেষ্টা করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন স্টেশনের ১৫টি ইউনিট কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত গুরুতর আহত অবস্থায় আমাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে ৮-১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত পর্যন্ত কোনো মরদেহ আমরা পাইনি। কনটেইনার ডিপোর কর্মচারীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে। কিন্তু মালিক পক্ষের কাউকেই পাইনি। কর্মীরা জানিয়েছেন কনটেইনারগুলোতে রাসায়নিক পদার্থ ছিল।’
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুক কালাম আজাদ বলেন, ‘আগুনের ভয়বহতার কারণে কনটেইনার ডিপোর ভেতরে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। নিহত থাকতে পারে। কেমিক্যালের কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
‘বিস্ফোরণের কারণে আশেপাশের আহতদের মধ্যে অন্তত ২০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
আপনার মন্তব্য