সিলেটটুডে রিপোর্ট

১১ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ ০০:১০

অবশেষে খালেদার কার্যালয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু

অবশেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হচ্ছে । ইতিমধ্যে সল্পমাত্রায় মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ করছে ।

অবশেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার  গুলশান কার্যালয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হচ্ছে । ইতিমধ্যে সল্পমাত্রায় মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ করছে ।
এ প্রসঙ্গে গ্রামীণ ফোনের উপ-পরিচালক (এক্সটারনাল কম্যুনিকেশন) সৈয়দ তালাত কামাল  জানান, 'আমরা নিয়ন্ত্রণ সংস্থা- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের পারমিশন পেয়ে গিয়েছি। মোবাইল নেটওয়ার্ক চালুর পক্রিয়া শুরু করেছি। রাতেই মধ্যেই পুরো নেটওয়ার্ক চালু হয়ে যাবে।'

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান-২-এর ৮৬ নম্বর রোডের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকা না-থাকা নিয়ে চলছিলো নানামুখী জল্পনা-কল্পনা ও মন্তব্য। কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের কেউ বলছেন, আছে। কেউ বলছেন, আসা যাওয়ার মধ্যে আছে।

মঙ্গলবার দুপুরে মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ করছে- এমন কথা ছড়ালেও আদতে এর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে সন্ধ্যার দিকে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান জানান, কিছু কিছু সময়ে মোবাইলে কথা বলতে পারছেন তিনি। তিনি জানান, শুনেছি কার্যালয়ের কাছাকাছি কয়েকটি দূতাবাসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। তবে এখনও ইন্টারনেট, ল্যান্ডফোন ও ফ্যাক্স সচল হয়নি বলে মারুফ কামাল জানান।

তবে মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করা বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন আহমেদ দিদার  জানান, গ্রামীন ফোনের নেটওয়ার্ক ফ্রিকুয়েন্সি মাঝে-মাঝে কাজকরছে। এক ধরনের আসা-যাওয়ার মধ্যে রয়েছে। অন্যগুলোর মধ্যে টেলিটকের পাওয়া যাচ্ছে। কেবল টিভির সংযোগও বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলেও জানান দিদার।


এদিকে গ্রামীন ফোনের যে টুকু নেটওয়ার্ক এসেছে, তাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে বিগত ১০ দিন পর মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকার অবসান হল। অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্কও চালু হতে পারে এমন অভাস মিলেছে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, কেবল টিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সময় থেকে গুলশানের ওই বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছিল না। এর ২০ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরলেও মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।

যদিও এ ব্যাপারে বিএনপিনেতাদের অভিযোগ ছিল, নেটওয়ার্ক না থাকার পেছনে সরকারের হাত ছিল।

প্রসঙ্গত, গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক মাসের বেশি সময় ধরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে মারুফ কামাল ছাড়াও রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মাহবুব আলম ডিউ, নিরাপত্তা সমন্বয়কারী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবদুল মজিদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।

 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত