২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২০
দেশের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক গ্রন্থাগার ‘যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি’। জেলা সফরে গিয়ে সোমবার এই গ্রন্থাগারে বিকেল কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তুলে ধরলেন নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার পরিকল্পনা।
‘আমার ইচ্ছা ছিল... বাচ্চাদের যদি মোবাইল থেকে কিছুটা হলেও বের করে নিয়ে এসে বই পড়ার অভ্যাসে আমরা নিতে পারি’— বললেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের প্রসঙ্গ টানেন তারেক রহমান। ‘উনাদের একটা সংগঠন আছে ... বুক রিডিংয়ের একটা বিষয়ে আছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা ওনাদের সাথে কাজ করতে চাইছি।’
‘আমরা প্রতি উপজেলার দুটো করে প্রাইমারি স্কুল টার্গেট করার চেষ্টা করছি। যেখানে আমরা বাচ্চাদের বই দেবো। কোনো রাজনৈতিক বই না। রাজনীতির বাইরেও বিভিন্ন বিষয়ের বই আছে। আমরা সেই ধরনের বই দেবো, যেগুলো পড়লে বাচ্চারা অনেক কিছু শিখতে পারবে, বুঝতে পারবে, দ্বীন-দুনিয়া সম্পর্কে, পৃথিবী সম্পর্কে জানতে পারবে’— যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারপ্রধান স্পষ্ট করলেন, ‘বই দিয়ে আমরা তাদের আস্তে আস্তে পাঠে অভ্যাস করাতে চাইছি। শুধু তাই নয় ... পুরো বিষয়টা আমরা পরীক্ষার ভেতরে ইন্ট্রোডিউস করতে চাচ্ছি। অর্থাৎ সেটার মধ্য থেকে প্রশ্ন হবে, সেটার মধ্য থেকে তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে, সেই পরীক্ষায় পাস করতে হবে।’
১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পাঠাগারে আছে প্রায় দুই শতাধিক দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপি, তুলট কাগজ ও তালপাতায় হাতে লেখা মহাকবি কালিদাসের পুঁথি। এসব ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। পরে পাঠাগার কর্তৃপক্ষ, শিক্ষাবিদ ও প্রাজ্ঞজনদের সঙ্গে বসেন মতবিনিময়ে। এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান তাদের কাছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
এর আগে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আপনার মন্তব্য