২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৬
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের (২০২৬-২৭) নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে আবেদনকারী আওয়ামী লীগ সমর্থক ৪০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। মঙ্গলবার শেষ দিনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এই সিদ্ধান্ত বেআইনি ও অসাংবিধানিক বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা। এর মাধ্যমে নজিরবিহীন সংকট তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করা হয়।
এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট বারের ৭৭ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ম্লান করে দিয়ে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও স্বৈরাচারী পন্থায় বৈধ প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।
এতে অভিযোগ করে বলা হয়, নির্বাচন পরিচালনা সাব-কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের ঘোষণা অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটির সহ-সভাপতি ও সাব-কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির মঞ্জু (বর্তমান ডিএজি)একতরফাভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। যাচাই-বাছাইয়ে রাজনৈতিক অজুহাত ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দোহাই দিয়ে স্বতন্ত্রভাবে আবেদনকারী ৪০ জনেরও বেশি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
গত ২৬ এপ্রিল অত্যন্ত স্বল্প সময়ের নোটিসে (মাত্র দেড় ঘণ্টা আগে মেসেজ দিয়ে) একটি 'মনগড়া' সাধারণ সভা করা হয়। ওই সভার বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে পুঁজি করেই প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।
তারা বলেন, "আমরা কেউ কোনো দলের বা সংগঠনের পক্ষ থেকে দলবদ্ধ হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করিনি। প্রত্যেকে স্বতন্ত্রভাবে নিয়ম মেনে আবেদন করেছি। কিন্তু কোনো প্রকার স্বচ্ছতা ছাড়াই আমাদের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।"
দাবিদের দাবি, সাধারণ আইনজীবীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী অবিলম্বে এই 'অবৈধ' সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। তারা একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সাব-কমিটির মাধ্যমে পুনরায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করার জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মানসুরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১৩-১৪ মে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের (২০২৬-২৭) নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে আবেদনকারী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৪০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। মঙ্গলবার শেষ দিনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এই সিদ্ধান্ত বেআইনি ও অসাংবিধানিক বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা। এর মাধ্যমে নজিরবিহীন সংকট তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এই অভিযোগ করা হয়।
এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট বারের ৭৭ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ম্লান করে দিয়ে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও স্বৈরাচারী পন্থায় বৈধ প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করে বলা হয়, নির্বাচন পরিচালনা সাব-কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের ঘোষণা অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটির সহ-সভাপতি ও সাব-কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির মঞ্জু (বর্তমান ডিএজি)একতরফাভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। যাচাই-বাছাইয়ে রাজনৈতিক অজুহাত ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দোহাই দিয়ে স্বতন্ত্রভাবে আবেদনকারী ৪০ জনেরও বেশি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
গত ২৬ এপ্রিল অত্যন্ত স্বল্প সময়ের নোটিসে (মাত্র দেড় ঘণ্টা আগে মেসেজ দিয়ে) একটি 'মনগড়া' সাধারণ সভা করা হয়। ওই সভার বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে পুঁজি করেই প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।
তারা বলেন, "আমরা কেউ কোনো দলের বা সংগঠনের পক্ষ থেকে দলবদ্ধ হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করিনি। প্রত্যেকে স্বতন্ত্রভাবে নিয়ম মেনে আবেদন করেছি। কিন্তু কোনো প্রকার স্বচ্ছতা ছাড়াই আমাদের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।"
দাবিদের দাবি, সাধারণ আইনজীবীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী অবিলম্বে এই 'অবৈধ' সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। তারা একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সাব-কমিটির মাধ্যমে পুনরায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করার জোর দাবি জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মানসুরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১৩-১৪ মে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
আপনার মন্তব্য