০৭ জুলাই, ২০১৬ ১৯:০৫
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মানুষের ঢল নামে।
এই জনস্রোতের মধ্যেই দুর্বৃত্তরা পুলিশের ওপর বোমার বিস্ফোরণ ও গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা জবাব দেয়।
এতে দুই কনস্টেবল, এক নারী ও অপর এক হামলাকারী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দু’জনকে পুলিশ আটক করেছে।
পরে পুলিশের হাতে আটক আহত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, তাদের আটজন সদস্য এই সন্ত্রাসী হামলায় অংশ নেয়।
আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি নিজের বাড়ি দিনাজপুর বলে জানান।
তিনি বলেছেন, হামলা করার জন্য তারা ২৭ রোজার দিন কিশোরগঞ্জে আসেন।
কিশোরগঞ্জ পুলিশের একটি সূত্র এ সব তথ্য দিয়ে জানিয়েছে, ওই হামলাকারীকে প্রথমে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে কড়া নিরাপত্তায় ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে। সুস্থ হওয়ার পর তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অনেক তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
হামলার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঈদ জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের জনস্রোতের মধ্যেই হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। প্রথমে তারা এটিকে নামাজের রেওয়াজ অনুযায়ী মাঠে শটগানের গুলি ফোটানো ভেবেছিলেন।
কিন্তু এরপর আরও শব্দ এবং পুলিশের বাঁশি, গাড়ির সাইরেন, আহতদের নিয়ে ছোটাছুটিতে সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে তারা জেনে যান সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তারা ছোটাছুটি করতে থাকেন।
এদিকে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় হামলাস্থলের কাছে নীল রঙের ঢোলা পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরা একজন অল্পবয়সী ছেলের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশ বলছে, নিহত অজ্ঞাত এই যুবক সন্দেহভাজন হামলাকারী। গোলাগুলির মধ্যে পড়ে সে নিহত হয়। তার পোশাকের মধ্যে বিশেষ কায়দায় চাপাতি জাতীয় অস্ত্র রাখার চেম্বার ছিল।
আপনার মন্তব্য