০৮ জুলাই, ২০১৬ ০০:৪৩
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় হামলাস্থলের কাছে নীল রঙের ঢোলা পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরা একজন অল্পবয়সী ছেলের লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। পুলিশ বলছে, সে সন্দেহভাজন হামলাকারী। গোলাগুলির মধ্যে পড়ে সে নিহত হয়। তার পোশাকের মধ্যে বিশেষ কায়দায় চাপাতি জাতীয় অস্ত্র রাখার চেম্বার ছিল।
ঘটনাস্থল থেকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছেলেটির পরনে ঢোলা পায়জামার নিচে চাপা জিনসের একটি প্যান্ট ছিল। জিনসের প্যান্টে কোমর থেকে হাঁটুর ওপর পর্যন্ত বিশেষ চেম্বার বানানো ছিল। ওই চেম্বারে চাপাতি জাতীয় লম্বা অস্ত্র রাখা যায়। পুলিশের ধারণা, হামলার পর পোশাক বদলে হামলাকারীরা সাধারণ জনগণের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, হামলার পরে হামলাকারীরা আজিমউদ্দীন স্কুলের আশপাশের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে যায়। তারা পুলিশের ওপর গুলিও চালায়। পুলিশও এ সময় গুলি করে। হামলার সময়ও গোলাগুলি হয়। এ সময় ছেলেটি গুলিতে নিহত হতে পারে।
ঈদের দিন সকালে শোলাকিয়ায় জামাতের আগেই বৃহস্পতিবার টহলরত পুলিশের ওপর বিস্ফোরক ও গুলি ছুড়ে হামলা চালানো হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এতে দুই পুলিশসহ চারজন নিহত হয়েছে। নিহত এই ছেলেটিকে হামলাকারী বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। বাকি একজন নারী। তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হামলাকারীদের হাতে চাপাতি দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামায়াত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের প্রবেশপথে বোমা হামলায় দুই পুলিশ সদস্য এক নারী ও এক হামলাকারী নিহত হন।
আপনার মন্তব্য