০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১১:৫৭
রাজধানীর মিরপুরে জঙ্গি আস্তানায় ফের অভিযান শুরু করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ওই ভবনে প্রবেশ করে।
সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মেহেদি জানান, জঙ্গি আস্তানায় তল্লাশি করা হচ্ছে। ভেতরে আর কোথায় কি রয়েছে তা দেখা হচ্ছে।
এর আগে বুধবার বিকেলে জঙ্গি আস্তানা থেকে উদ্ধার হয়েছে অঙ্গার হয়ে যাওয়া সাতজনের দেহাবশেষ। দেহাবশেষ দেখে নারী-পুরুষ পার্থক্য করারও উপায় ছিল না। দেহাবশেষগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওই দিন বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে সংবাদ সম্মেলন করেন র্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। সেখানে তিনি বলেন, সাতজনের কঙ্কাল হয়ে যাওয়া দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। কক্ষের মধ্যে ৫৫ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রয়েছে। আলামত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পানি ছিটানো যাচ্ছে না।
বেনজীর আহমেদ আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে জঙ্গি আবদুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী, দুই ছেলে এবং বাকি দু'জন কর্মচারী বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবদুল্লাহ জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের 'আল-আনসার' সদস্য ছিল। জেএমবির এই অংশটির প্রধান সারোয়ার জাহান, কানাডীয় নাগরিক তামিম চৌধুরী ও আরেক নেতা সোহেল মাহফুজ ওরফে হাতকাটা মাহফুজসহ অনেকেই আবদুল্লাহর এ বাড়িতে রাত কাটিয়েছে। সারোয়ার-তামিম অংশটি ভেঙে যাওয়ার আগে পুরনো অংশের এক শূরা সদস্যকে গত বছর গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আবদুল্লাহর নাম বেরিয়ে আসে। ওই শূরা সদস্য বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। আবদুল্লাহ মূলত জেএমবিকে অর্থ সহায়তা ও আশ্রয় দিত। তার বাসায় জঙ্গিদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হতো।
আস্তানাটি শনাক্ত হওয়ায় একটি বিরাট বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে বলে মনে করেন র্যাব প্রধান।
আপনার মন্তব্য