সিলেটটুডে ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১২:৩৩

রোহিঙ্গাদের জন্য উখিয়ায় পাঁচ হাজার একর জমি নির্ধারণ

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্যে আশ্রয় শিবির নির্মাণ করতে কক্সবাজারের উখিয়ায় পাঁচ হাজার একর জমি নির্ধারণ করেছে সরকার। ওই জমির মধ্যে আপাত আড়াই হাজার একর জমিতে রোহিঙ্গাদের জন্যে আশ্রয় শিবির নির্মাণ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

তিনি জানান, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের একত্রিত করে নিবন্ধন করা হবে।

শনিবার দুপুরে নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আশ্রয় দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের বাসস্থান ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকায় পাঁচ হাজার একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে আপাতত আড়াই হাজার একর জমিতে রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয় শিবির নির্মাণ করে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্বদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ কান্নাজড়িত কণ্ঠে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের দুঃখের কথা শুনে মন্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আমিনুল হক খসরু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল, সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, কঙ্বাজার এডিসি আবদুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম, উখিয়া সার্কেল চাইলাউ মারমা, টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন খান ও এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত