১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১২:৫৯
মিয়ানমারে অব্যাহত নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আঙ্গুলের ছাপ গণনা বা বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের কাজ চলছে৷
যদিও সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিবন্ধনের কাজ শুরু হয় তবে আবহাওয়া ভালো না থাকায় কিছু কাজ করার পর তা বন্ধ করে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) খালেদ মাহমুদ বলেন, রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যার্পন ও তাদের পরিচয় নিশ্চিত করার স্বার্থেই এ নিবন্ধন প্রক্রিয়া।
কক্সবাজারের কুতুপালং ও নয়াপাড়ায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প রয়েছে দুটি আর বাংলাদেশ সরকারের গণনা অনুযায়ী মোট ৩২ হাজার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা এদেশে রয়েছেন। এরমধ্যে উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন ১৪ হাজার রোহিঙ্গা।
আর টেকনাফের নয়াপাড়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রয়েছেন ১৮ হাজার রোহিঙ্গা। এর বাইরে অনিবন্ধিত আরও ৫টি পুরনো শরণার্থী শিবির রয়েছে ওই এলাকায় যেখানে আনুমানিক দেড় লাখ রোহিঙ্গারা বাস করছেন।
আপনার মন্তব্য