সিলেটটুডে ডেস্ক

০১ অক্টোবর, ২০১৭ ১৮:৩৪

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে শিকার

প্রজনন মৌসুম হওয়ায় আজ থেকে ২২ দিন বন্ধ থাকবে নদীর অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাত ও বিক্রি।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে এরই মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞরা জানায়, বৃহদাকারে সুফল পেতে মাছের বিচরণক্ষেত্র দেশগুলোকে একত্রে পদক্ষেপ নিতে হবে।

দেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের অবদান প্রায় ১৪ শতাংশ। জিডিপিতেও রয়েছে এক শতাংশ অবদান। বার্ষিক গড় উৎপাদনের পরিমাণ অনুযায়ী এর বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত ইলিশ আহরণের ফলে ২০০৭-০৮ অর্থবছর পর্যন্ত ইলিশের উৎপাদন কমে যায়। ১৯৯০ সালে প্রায় সোয়া দুই লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হলেও ২০০২-০৩ অর্থবছরে তা দুই লাখ টনের নিচে নেমে আসে।

এসব বিবেচনায় নিয়ে ইলিশের উৎপাদন হার বাড়াতে ২০০৪ সালের পর থেকে গবেষণার পাশাপাশি ইলিশের অভয়ারণ্য গড়ে তোলা, মৌসুম উপযোগী নানা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ইলিশের উৎপাদন প্রায় চার লাখ মেট্রিক টন। প্রতিবারের মতো এবারো ইলিশের প্রজনন মৌসুম

প্রজনন মৌসুম হওয়ায় আজ থেকে ২২ দিন বন্ধ থাকবে নদীর অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাত ও বিক্রি। নির্দেশনা বাস্তবায়নে এরই মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞরা জানায়, বৃহদাকারে সুফল পেতে মাছের বিচরণক্ষেত্র দেশগুলোকে একত্রে পদক্ষেপ নিতে হবে।

দেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের অবদান প্রায় ১৪ শতাংশ। জিডিপিতেও রয়েছে এক শতাংশ অবদান। বার্ষিক গড় উৎপাদনের পরিমাণ অনুযায়ী এর বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত ইলিশ আহরণের ফলে ২০০৭-০৮ অর্থবছর পর্যন্ত ইলিশের উৎপাদন কমে যায়। ১৯৯০ সালে প্রায় সোয়া দুই লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হলেও ২০০২-০৩ অর্থবছরে তা দুই লাখ টনের নিচে নেমে আসে।

এসব বিবেচনায় নিয়ে ইলিশের উৎপাদন হার বাড়াতে ২০০৪ সালের পর থেকে গবেষণার পাশাপাশি ইলিশের অভয়ারণ্য গড়ে তোলা, মৌসুম উপযোগী নানা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ইলিশের উৎপাদন প্রায় চার লাখ মেট্রিক টন। প্রতিবারের মতো এবারো ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।

মৎস্য অধিদপ্তরে মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ বলেন, 'আমরা যুদ্ধ শুরু করেছি। মূলত যারা নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার করবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। কিছু মানুষ জাল নিয়ে নামবে। আবার কেউ মাছ ধরার ব্যবস্থা করে দিবে। তারা যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করলে আমাদের অভিযান সফল হবে।'

ভৌগলিকভাবে পারস্য উপসাগর থেকে ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ও চীন উপসাগর পর্যন্ত চার প্রকারের ইলিশ দেখা যায়। দেশভিত্তিক ইলিশ আহরণ পরিমাণে বাংলাদেশ ৫০-৬০ শতাংশ, মিয়ানমার ২০-২৫ শতাংশ ভারত ১০-১৫ শতাংশ, অন্যান্য ৫-১০ শতাংশ ধরা হয়।

কৃষি বিশেষজ্ঞ বলেন, এই ২২ দিন ধরে আমাদের জেলেরা নদীতে যাবে না ঠিক। কিন্তু আশে পাশের কেউ যাতে  নদীতে না নামতে পারে।

অধ্যাপক ড. এম.নিয়ামুল নাসের বলেন, 'ভারত ও বাংলাদেশর মধ্যে সমন্বয় করে যদি নিষেধাজ্ঞা কার যায়। তাহলে ইলিশ উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে।'

ইলিশের প্রজনন মৌসুম সংরক্ষণে বাংলাদেশ ও ভারত পৃথকভাবে নানা কর্মসূচি নিলেও মিয়ানমারের ভূমিকা এখনো আশানুরূপ নয় বলে জানায় মৎস্য অধিদপ্তর।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত