৩০ জুন, ২০১৮ ২৩:২৪
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জয়, ভবিষ্যতে বিজয়ী হওয়ার পথ দেখাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
শনিবার (৩০ জুন) গাজীপুরের নবনির্বাচিত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম এবং কাউন্সিলরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তাদের উদ্দেশে আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের বছরে গাজীপুর ও খুলনার নির্বাচনের ভোটের ফলাফলের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এই নির্বাচনের ফলাফল আমাদের বিজয় দেখাচ্ছে, আর বিজয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।” গাজীপুর ও খুলনা দুই সিটি করপোরেশনেই এবার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। গতবার দুটিতেই বিএনপি নেতারা জিতেছিলেন।
বিএনপি কারচুপির অভিযোগ তুললেও তা প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখে জনগণ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়েছে।
শেখ হাসিনা বক্তব্যের শুরুতেই গাজীপুরের নতুন মেয়র ও কাউন্সিলরদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এই জয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি যেটা কাজ করেছে, সেটা হল একতা। সকলে ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই বিজয় আনতে পেরেছে। খুলনায় রাগ-ক্ষোভ ভুলে সবাই এক হয়েছিল বলেই বিজয় এসেছিল।
“আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে যা চায়, তা আনতে পারে। আওয়ামী লীগ যখনই ঐক্যবদ্ধ থেকেছে, তখনই সকল বাধা অতিক্রম করতে পেরেছে।”
গাজীপুরে বিএনপি প্রার্থীকে দুই লাখ ভোটে হারানোর প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, “এই বিজয় প্রমাণ করে, আওয়ামী লীগ যখন দৃঢ়প্রতিজ্ঞা থাকে, তখনই বিজয় অর্জন করে।”
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিজয়কে প্রতিটি নেতা-কর্মীর বিজয় হিসাবে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
গাজীপুরের নতুন মেয়র ৩৯ বছর বয়সী জাহাঙ্গীরের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রবীণের চিন্তা আর নবীনের শক্তি হলো আওয়ামী লীগ। প্রবীণের কাছ থেকে শিখতে হবে, দেশের ইতিহাস জানতে হবে।”
সকলের সম্মিলিত কাজের ফলেই যে এই জয় এসেছে তা মনে করিয়ে দিয়ে প্রবীণ নেতাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করতেও জাহাঙ্গীরকে উপদেশ দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
এই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকও বক্তব্য রাখেন।
আপনার মন্তব্য