০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ১৪:৩৮
আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশের সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত জনগোষ্ঠী জ্ঞানের অভাবে আন্দোলন করছে।
মঙ্গলবার দুপুরে অর্থমন্ত্রণালয়ে পে-স্কেল পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকেদর তিনি এ কথা বলেন।
মুহিত বলেন, শিক্ষকদের পদোন্নতির নিয়মটি নিজেরা তৈরি করে নিয়েছেন। তাই তাদের পদোন্নতি ব্যবস্থার সংস্কার করা হবে। পে-স্কেলে কী আছে, তারা সেটা না বুঝেই আন্দোলন করছেন। তারা সবাই অধ্যাপক হতে চান, তাদের দুনীতির এ চর্চা বন্ধ করা উচিত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এ ধরনের কর্ম বিরতি যৌক্তিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষকদের এ ধরনের ব্যবহার অত্যন্ত দুঃখজনক।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রায়ই বলা হয় সরকারি চাকুরেদের বেতন কম, তাই তারা ঘুষ খান। এটাও ঠিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভালো বেতন না পাওয়ায় দুর্নীতি অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছিলো। নতুন এই পে-স্কেল দেওয়ায় এখন অনেকটা কমে যাবে।
মুহিত বলেন, কিছু মানুষ আছে যারা সব সময় দুর্নীতি করে। সেটা কোনো দিনই বন্ধ হবে না। তবে এদের দুর্নীতি বন্ধ করতে জনগণের মতামত নিতে হবে। কারণ টাকাটা জনগণই দেয়।
সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ায় দ্রব্যমূল্য বাড়ার সম্ভাবনা নেই। যদি বাড়ে সরকার তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে বলেও মনে করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এটি করেছিলো। আমরা তার বাস্তবায়ন করেছি। সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেলের সঙ্গে তুলনা করলে পে-স্কেলই গ্রহণযোগ্য হবে। পরবর্তীতে কেউ ক্ষমতায় এসে না মানলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না।
মুহিত বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর কোনো পে-স্কেল হবে না। পে-স্কেলে কোনো পরিবর্তন, সংযোজন-বিয়োজন দরকার হলে একজন কর্মকর্তারা নিয়োগ করা হবে। তিনি প্রতি বছর মন্ত্রিপরিষদে রিপোর্ট করবেন। সেই রিপোর্টের আলোকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সবশেষে যুগান্তকারী এ পে-স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আর কোনো অভিযোগ থাকবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।
আপনার মন্তব্য