৩০ মে, ২০১৮ ০০:৫৭
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৯নং দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বাজেটে আয় ৯৮ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩ শত টাকা এবং ব্যয় ৯৬ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৬ শত টাকা দেখানো হয়েছে। উদ্ধৃত্ত ২ লক্ষ ৬২ হাজার ৩ শত ৩৪ টাকা ধরা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ মে) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এই বাজেট পেশ করেন দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ.এম. খলিল।
দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ. এম. খলিলের সভাপতিত্বে ও সহকারী সচিব মাওলানা নজরুল ইসলামের পরিচালনায় বাজেট পেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু জাহিদ। প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দাউপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লিলু, দাউদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আহমদ হোসেন খোকন, সমাজসেবী ও সালিশী ব্যক্তিত্ব এটিএম মাসুদ উকিল, দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম ইমরান।
কারী মো. জুলফিকার আহমদের পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে সূচিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইউপির ১নং ওয়ার্ড সদস্য দেলওয়ার হোসেন ও ৫নং ওয়ার্ড সদস্য মিসবাহ আহমদ টুনু।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন রাখালগঞ্জ কেসি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী মওসুফুল করিম, ইউপি সচিব মো. নজরুল ইসলাম, দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওলিউর রহমান, জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ স্কুলের শিক্ষক মাওলানা হেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা জাতীয়তাবাদী তরুণ প্রজন্ম দলের সভাপতি শফি আহমদ খান, দাউদপুর ইউনিয়ন প্রবাসী ট্রাস্টের স্থায়ী কমিটির সদস্য রাহিম হাসান মায়দুল, মিমা প্রবাসী ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সদস্য কামরান আহমদ, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন, আশিকুর রহমান টিপু, মো. সাহেদুর রহমান, রিয়াজ উদ্দিন, হিরা মিয়া, মালেকা বেগম, মনোয়ারা বেগম, সাহিদা বেগম, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা ফাহাদ আহমদ ও লিমন আহমদ প্রমুখ। বাজেট অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু জাহিদ বলেন, জনগণের মুখোমুখি উন্মুক্ত বাজেট পেশ করা হলে পরিষদের কাজের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়। সরকার গ্রামীণ জনপদের মান উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আর সরকারের এসব কর্মসূচি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। স্থানীয় পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের জনগণের আশা আকাঙ্খা সঠিক ভাবে পূরণের মাধ্যমে নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করা।
আপনার মন্তব্য