২১ অক্টোবর, ২০১৫ ০০:০৪
কানাইঘাটের গাছবাড়ী বাজার থেকে অগ্রণী ব্যাংকের শাখা অন্যত্র সরানো নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে জামায়াত নিয়ন্ত্রিত একটি ভবনে ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
এ নিয়ে একাধিকবার গাছবাড়ি বাজারে প্রতিবাদ সভা করেছেন এলাকাবাসী। এ ছাড়া অগ্রণী ব্যাংক’র চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ব্যবস্থাপক, জোনাল ম্যানেজার বরাবরেও স্মারকলিপি দিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিন এ ব্যাপারে গ্রাহকের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করেছেন। তারপরও ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার জামাত নেতাদের প্ররােচনায় শাখাটি স্থানান্তরের জন্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে একাধিক গ্রাহক জানান।
এলাকাবাসী জানান, শুধুমাত্র ভবনের মালিক আওয়ামীলীগ সমর্থক হওয়ায় ম্যানেজার শাখা স্থানান্তরের কাজটি করছেন। অন্যদিকে জামাত নেতার মালিকানাধীন ভবনে শাখাটি নিতে চাচ্ছেন।
জানা যায়, ১৯৭৭ সাল থেকে এ ব্যাংক শাখাটি নিয়মিত ব্যাংকিং সেবা পরিচালনা করে আসছে। শাখাটির অবস্থান বাজারের কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় গ্রাহকগণ নির্বিঘ্নে সহজেই লেনদেন সেবা গ্রহণ করেত পারেন।
সম্প্রতি শাখাটি দূরবর্তী এন.এইচ.কমপ্লেক্রে স্থানান্তরের চেষ্টা চালাচ্ছেন ম্যানেজার। কমপ্লেক্রটি বর্তমান স্থান ও বাজার থেকে অর্ধ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। এ নিয়ে ব্যাংকটির গ্রাহকবৃন্দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা শাখাটিকে আগের জায়গায় অথবা বাজারের নিকটবর্তী একটি স্থানে স্থানান্তরের জন্য অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ ব্যাংকটির ঊর্ধত্বন কর্তৃপক্ষ বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রেরণ করেছেন।
এ ব্যাপারে সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ জানান, ম্যানেজার সাহেব জনমত উপেক্ষা করে শুধু মাত্র জামাত নেতা মালিক হওয়ার কারণে ব্যাংক শাখাটি স্থানান্তরের চেষ্টা চালাচ্ছেন। শত শত গ্রাহক তার এ অন্যায় সিদ্ধান্ত মানবেনা বলে তিনি জানান।
তবে ব্যাংক ম্যানেজার ইউসুফ আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আপনার মন্তব্য