২৩ অক্টোবর, ২০১৫ ১৬:৪৯
সিলেটে কথিত পুলিশের সোর্স রুবেলের সঙ্গে কোতোয়ালি থানার কিছু পুলিশের সংখ্যতার কারনে নগরীর ঘাষিটুলা ও কলাপাড়া এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার স্বরাস্ট্রমন্ত্রী, সিলেটের পুলিশ কমিশনার ও সিলেটের জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে এ অভিযোগ করেছেন এলাকার দেড় শতাধিক বাসিন্দা।
স্মারকলিপিতে তারা অভিযোগ করেন, পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কথিত সোর্স রুবেল এলাকায় মাদক, অসামাজিক কাজ, মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করছে। তার যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে পড়েছিলেন এলাকার মানুষ। অনেকেই তার হাতে হন নির্যাতিত। এ কারনে গত ৪ অক্টোবর স্থানীয় লোকজন ঘাষিটুলা এলাকায় তাকে গণপিটুনি দেয়। শতাধিক মানুষের হাতে গণপিটুনি খেলেও পরে এলাকার ৭ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করে।
আর ‘অজ্ঞাত আসামি’ হিসেবে অনেককেই মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাদাবাজি করে। পরে গত ১১ অক্টোবর এলাকাবাসী মানববন্ধনের আয়োজন করলে পুলিশ দল নিয়ে সেখানেও মহড়া দেয় রুবেল। আর মানববন্ধনের শেষ পর্যায়ে গ্রেপ্তার করে এলাকার প্রবীন মুরব্বী আছাব আলী ও রকিব নামে দুই জনকে। পরে টাকার বিনিময়ে সে রকিবকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেয়।
স্মারকলিপিতে তারা অভিযোগ করেন, রুবেলের সনাক্ত মত যাদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে তারা মামলার আসামি ছিলেন না। হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, রুবেল এখন তার মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে এলাকায় অস্থির করে তুলেছে। কোতোয়ালি থানার মাঠ পর্যায়ের কিছু পুলিশের সহযোগিতার কারনে তার কাছে এলাকার মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
এ কারনে রুবেলের অপকর্ম থেকে রেহাই পেতে সুষ্টু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এদিকে, রুবেলে বিতর্কিত কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছেন ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সালেহ আহমদ চৌধুরী।
স্মারকলিপি দাতাদের মধ্যে রয়েছেন, এলাকার প্রবীন মুরব্বী আছাব আলী, মঈন উদ্দিন, তায়েফ হাসান, মো. মনির মিয়া, সাবেক কাউন্সিলর রুহেনা খানম মুক্তা, মো, সাহাব উদ্দিন, জালাল উদ্দিন শাহাবুল, আজাদ উদ্দিন, সাবেক মেম্বার মোস্তফা কামাল, আব্দুর রহিম, ফিরোজ মিয়া, জালাল উদ্দিন, সফিক আহমদ, আনছার মিয়া, সুয়েল আহমদ প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য