২৪ অক্টোবর, ২০১৫ ০২:২৭
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে। সারা দেশের মতো মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বোধন থেকে বিসর্জন পর্যন্ত ভক্ত ও পূণ্যর্থীদের উৎসবমুখর অংশগ্রহণে মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল।
এবার বড়লেখা উপজেলায় ১৪৩টি পূজা মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হয় শারদীয় দূর্গা পূজা। প্রতিটি মণ্ডপে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় এবং সমাজ থেকে অশুভ অসুর শক্তির বিনাশের জন্য প্রার্থনা করা হয়। ধর্ম যার যার-উৎসব সবার এই উপলব্ধিতে সকলের অংশগ্রহণে দুর্গোৎসব রূপ নেয় বাঙ্গালীর সম্প্রীতির উৎসবে।
শুক্রবার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাংলাবাজার, পানিশাইল, গুলুয়া, ভাগাডহরে প্রতিমা বিসর্জন ঘাটে ঢাক-ঢুল, বাদ্য-বাজনা আর আরতির মধ্য দিয়ে উৎসব মোখর পরিবেশে দেবী দুর্গাকে বিসর্জন দেয়া হয়। অশ্রুসিক্ত নয়নে মা’কে বিদায় জানিয়ে তার কাছ থেকে আশির্বাদ নেন সনাতন ভক্তজনেরা। প্রতিটি বিসর্জনস্থলে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়।
উপজেলার বাংলাবাজারে প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি দুর্গতিনাশিনী পরিষদের প্রকাশনা “দুর্গতিনাশিনী”র নবম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন।
প্রতিমা নিরঞ্জন উপলক্ষে বাংলাবাজার, পানিশাইল, গুলুয়া, ভাগাডহরে পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি।
এসব অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ, পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বিধান চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক অনুকুল চন্দ্র দেব, হরি বাবু, রমা কান্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নিয়াজ উদ্দিন, সমাজসেবক রবিন্দ্র দাস, তালিমপুর ইউপি’র পুজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদক বিদ্যুৎ চন্দ্র দাস, বিকাশ দাস, অনুকুল চন্দ্র দাস, সুভাষ দাস রাসেল, মহিম কান্ত নাথ, ইউপি সদস্য ছলিম উদ্দিন, সমাজসেবক হিফজুর রহমান, সুপ্রিয় দাস প্রমূখ।
আপনার মন্তব্য