২৫ অক্টোবর, ২০১৫ ২২:০৩
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি গ্রাম থেকে নেছার আহমদ (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ছাতক পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালেয়র অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। নেছার বাতিরকান্দি গ্রামের এছলিম মিয়ার ছেলে। রোববার দুপুরে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায় এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে নেছার তার বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। শনিবার রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর রোববার ভোরে ওই গ্রামের রাস্তার পাশের একটি স্থানে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের দাবি নেছার আটকৃতদের নিয়ে লাফার্জ সিমেন্ট কারখানার পাশের রাস্তায় প্রায়ই ছিনতাই চুরি সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলো। এদিনও তারা একটি পিকআপ ভ্যান রাস্তায় থামানের চেষ্টাকালে এর ধাক্কায় ঘটনাস্থলে নেছারের মৃত্যু হয়।
এ দিকে ঘটনার সাথে জড়ির সন্দেহে একই ইউনিয়নের পাটিবাঁশ গ্রামের আলাবুর রহমানের ছেলে রোমেন (২০), আবুল খয়েরের ছেলে তারেক (২০) ও বাতির কান্দি গ্রামের কলমধর আলীর ছেলে পাপ্পু (১৯) কে আটক করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ জানান, ছিনতাই করতে গিয়ে পিকাপের ধাক্কায় নেছার নিহত হয়েছে বলে আটককৃতরা জানিয়েছে। এর আগে তার বাসা থেকে রাতে ডেকে নেয় আটককৃতরা। পরে এরা সবাই ছাতক লাফার্জ সিমেন্ট কারখানার পাশের সড়কে ছিনতাই করতে একটি পিকাপ থামাতে চেষ্টাকালে এর ধাক্কায় সে নিহত হয়।
লাশ ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আপনার মন্তব্য