১৯ জুলাই, ২০২১ ০০:২৮
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উপজেলার দুটি স্থানে অবৈধভাবে পশুর হাট বসানো হয়েছে। এ কারণে যারা বৈধভাবে পশুর হাটের ইজারা নিয়েছেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
অন্যদিকে সরকারও হারাচ্ছে রাজস্ব। অবৈধ হাটগুলো বসেছে সুজানগর ও ফকিরবাজার এলাকায়।
এদিকে অবৈধভাবে বসানো পশুর হাটগুলো বন্ধে রোববার (১৮ জুলাই) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত কয়েকদিন থেকে উপজেলার সুজানগর ও ফকিরবাজার এলাকায় অবৈধভাবে পশুর হাট বসানো হয়। এগুলো বন্ধে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বৈধ ইজারাদাররা। এ ঘটনায় বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারের ইজারাদার তোফায়েল আহমদ জামিল বড়লেখা পৌরসভার মেয়র বরাবারে লিখিত আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বড়লেখা পৌরসভার মেয়র জেলা প্রশাসক বরাবরে অবৈধভাবে বসানো পশুর হাট বন্ধে আবেদন করেন। আবেদনের পর ওই দিনই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারের ইজারাদার তোফায়েল আহমদ জামিল রোববার রাতে বলেন, ‘আমি সরকারিভাবে ইজারা নিয়েছি। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে হাটে গরু বেচাকেনা কম হচ্ছে। এমনিতেই লোকসান গুনতে হচ্ছে। এরমধ্যে বিভিন্ন বাজারে অবৈধভাবে পশুর হাট বসানোয় আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এগুলো বন্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই পৌরসভার মেয়র বরাবরে আবেদন করেছি।’
এ ব্যাপারে জানতে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নূসরাত লায়লা নীরা রোববার রাত পৌনে ৮টায় মুঠোফোনে বলেন, ‘এ ধরনের কোনো চিঠি এখনো পাইনি।’
আপনার মন্তব্য