শাবুল আহমেদ, বিয়ানীবাজার (সিলেট)

২৫ নভেম্বর, ২০১৫ ২৩:৫৭

বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন সুহেল আহমদ

চেয়ারম্যান নিয়ে জটিলতা নিরসন

দীর্ঘ প্রায় এক মাস পর বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হলো। ২২ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শরীফা আহমেদ স্বাক্ষরিত  পরিষদ চেয়ারম্যানের প্যানেল অনুমোদন পত্রটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হলে চেয়ারম্যান জটিলতার অবসান ঘটে।

মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে ৪৬.০১৭.০২৮.০০.০০.০০২.২০১১ (অংশ২) ১২৭৪,তারিখ ২২ নভেম্বর, ২০১৫ খ্রিঃ সূত্রে দেখা যায়Ñ ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল হাছানকে প্যানেল চেয়ারম্যান-১ ও ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুহেল আহমদকে-২ এবং ৩ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যা জয়তুন নেছাকে-৩ করে গঠিত প্যানেল চেয়ারম্যানটি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩৩ (৫) মোতাবেক অনুমোদন করা হয়।

প্রসঙ্গত পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ অদুদ রুকন সেচ্ছা দেশত্যাগ করে কানাডা পাড়ি জমানোর পর দায়িত্ব পান প্যানেল চেয়ারম্যান-১ কামরুল হাছান। পরে কামরুলও  যুক্তরাষ্ট্র গমন করায় পদটি নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।  

এখন থেকে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩৩ (২) মোতাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান-২ সুহেল আহমদ প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মু. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্যানেল অনুমোদন পত্রটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হয়ে থাকলে সেটাই শতভাগ সত্যি। ফলে অনুমোদন প্যানেলটি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকার কথা নয়।’ তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত পত্রটি এখানো তাঁর হস্তগত হয়নি বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য গত ২২ অক্টোবর পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ কামরুল হাছান যুক্তরাষ্ট্র চলে গেলে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন নিয়ে দেখা দেয় জটিলতা। ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হন ইউনিয়ন সংশ্লিষ্ট এলাকার হাজার হাজার মানুষ; পাশাপাশি চলমান এ সংকট তড়িৎ নিরসন না হওয়ায় পরিষদের কার্যক্রমে দেখা দেয় নিষ্ক্রিয়তা। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, গড়ে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিতে আসেন। বিশেষ করে জন্ম সনদ, মৃত্যু সনদ, নাগরিক সনদ, উত্তরাধিকার সনদ, বার্থ সার্টিফিকেট, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য কাগজপত্র সত্যায়িত ইত্যাদি কাগজাদি নিতে আসা মানুষের সংখ্যাই বেশী। এদিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত অনুমোদন পত্রটি প্রকাশ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে ইউনিয়ন সংশ্লিষ্ট সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে আসে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত