৩০ নভেম্বর, ২০১৫ ০১:২৯
নভেম্বরে সিলেটের কুমারগাঁওয়ের শিশু রাজন, খুলনার শিশু রাকিব হত্যা মামলার রায়ের পর সিলেটের অপর শিশু আবু সাঈদের হত্যা মামলার রায় হতে যাচ্ছে আজ (সোমবার)।
বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তির রেকর্ড করে শিশু সাঈদের এ মামলা শেষ হয় মাত্র ৮ বিচারিক কার্যদিবসে।
রোববার (২৯ নভেম্বর) যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শেষে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রশিদ সোমবার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন।মাত্র আট কার্যদিবসেই সম্পন্ন হলো চাঞ্চল্যকর এই মামলার বিচার কাজ।
এ আদালতের পিপি আব্দুল মালেক বলেন, রোববার সকাল থেকে যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। বিকেলে রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন বিচারক।
এরআগে গত বৃহস্পতিবার এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। সাঈদ হত্যা মামলায় ৩৭ জনের মাঝে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার কোতোয়ালী থানার এসআই তারেক মাসুদ, এসআই মোশারফ হোসেন ও কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন সাক্ষ্য প্রদান করেন।
এর আগে বুধবার আদালতে সাক্ষ্য দেন ৩ জন। গত মঙ্গলবার ৪ জন, গত সোমবার ৭ জন, গত ২২ নভেম্বর ৬ জন এবং গত ১৯ নভেম্বর ৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
গত ১৭ নভেম্বর সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন। অভিযুক্ত ৪ জন হচ্ছেন নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) এবাদুর রহমান পুতুল, র্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব ও প্রচার সম্পাদক মাহিব হোসেন মাসুম। এরা সবাই কারান্তরীণ রয়েছেন।
চলতি বছরের ১১ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর রায়নগর থেকে স্কুলছাত্র আবু সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়।
এরপর ১৩ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় বিমানবন্দর থানার পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের কুমারপাড়াস্থ ঝর্ণারপাড় সবুজ-৩৭ নং বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার (ওসি-তদন্ত) মোশাররফ হোসেন।
আপনার মন্তব্য