বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

২৪ নভেম্বর, ২০২১ ১৬:০৪

বিশ্বনাথে বাদীর বাড়িতে আসামীর হামলার অভিযোগ

সিলেটের বিশ্বনাথে মামলা তুলে না নিলে বাদীর বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ ওঠেছে আসামিপক্ষের বিরুদ্ধে।

এসম বাদী আব্দুল কাহার (৫৮) ও তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে (৫০) হত্যার হুমকি ও চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এমন খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানার এসআই সাইফুল মোল্লা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। গত রোববারের ঘটনা হলেও গত তিনদনি থেকে বাদী ফাতেমা বেগম ও আসামি দিলশাদ মিয়ার (৩৮) স্ত্রী রুপেনা বেগম (৩০) পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মামলার বাদী আব্দুল কাহার ও আসামি দিলশাদ মিয়া উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তারা সম্পর্কে একে অপরের চাচাতো ভাই। গত ২৬ সেপ্টেম্বর আব্দুল কাহার প্রতিপক্ষ দিলশাদ ও তার স্ত্রী রুপেনাসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫জনকে আসামি করে বিশ^নাথ থানায় একটি মারামারি মামলাদায়ের করেন, মামলা নং (১৯)। ওই মামলায় স্বিামী-স্ত্রী গত ১৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। ওইদিন আদালতের বিচারক আছমা জাহান অন্তসত্তা রুপেনা বেগমকে জামিন দিলেও তার স্বামী দিলশাদের জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠান। আর জামিনে মুক্ত হওয়ার দুইদিন পর বাবার বাড়ি ছাতকের পলিরগাঁও থেকে তার ভাইসহ কয়েকজনকে নিয়ে গিয়ে বাদী আব্দুল কাহারের ঘরে হামলা ও ভাংচুর করেন।

এদিকে ২৬ সেপ্টেম্বর আব্দুল কাহারের মামলা দায়েরর দুইদিনের মাথায় গত ২৮
সেপ্টেম্বর দিলশাদ আলী আব্দুল কাহার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করেন, মামলা নং (২১)। ওই মামলায় ফাতেমা বেগম জামিনে থাকলেও তার স্বামী আব্দুল কাহার পলাতক রয়েছেন। ফলে, একলিমিয়া হাইস্কুলে দশম শ্রেনীতে পড়–ায়া তাহমিনা বেগম ও সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া তানিয়া আক্তার লিপিকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন আব্দুল কাহারের স্ত্রী ফাতেমা বেগম।
 
ফাতেমা বেগমের অভিযোগ, মামলা তুলে না নেওয়ায় এবং ৫লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আসামি রুপেনা বেগম তার বাড়িতে গিয়ে ঘরে ঢুকে হামলা ও ভাংচুর করেছে। প্রতিনিয়ত তাকে ও তার স্কুলে পড়–য়া দুই মেয়েকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে প্রতিপক্ষরা। যে কারণে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।

এব্যাপারে অভিযুক্ত রুপেনা বেগম ভাঙচুরের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করলেও চাঁদা দাবী ও হত্যার হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী আতাউর রহমান বলেন, মামলা দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত