২২ জানুয়ারি, ২০২২ ২২:৫৭
সিলেট-মৌভীবাজার সড়কের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুর এলাকায় একটি সেতুতে ভাঙন ও ফাটল দেখা দিয়েছে।
ব্যস্ততম এই সড়কে নড়বড়ে ওই সেতু দিয়ে প্রতিদিন ছোট-বড় হাজারো যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
তবে সংস্কারে বদলে ‘সাবধান, ঝুঁকিপূর্ণ সরু সেতু, ধীরে চলুন’-এমনটি লেখা সম্বলিত সাইনবোর্ড টানিয়ে দায় সেরেছে সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষ।
সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন দূরপাল্লার অন্তত পাঁচ হাজার ছোট-বড় গাড়ি চলাচল করে। মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গল সহ সিলেটের সঙ্গে যোগাযোগের এটিই অন্যতম সড়ক।
জান যায়, কটালপুর এলাকায় ‘চান মিয়ার খাল’ হিসেবে পরিচিত ওই খালের ওপর মেয়াদোত্তীর্ণ এই সেতুতে গেলো কয়েকদিন আগে টপ স্লাব, গার্ডারে ফাটল ও সেতুর একটি অংশের পাটাতন ভেঙে যায়। এরপর তা কাপের্টিং করে মেরামত করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। তবে এতেও ঝুঁকি কমেনি। বরং গাড়ি উঠলেই কেঁপে ওঠে সেতুটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর উত্তর পাশের একটি অংশ দেবে গেছে৷ সেখানে পাটাতন দিয়ে কাপের্টিং করা হয়েছে। তারপরও পাটাতনে ভেঙে গেছে। সেতুর একপাশের রেলিং ভেঙে গেছে। সেতুটিতে গাড়ি উঠলে সেতুটি কাঁপে। এ ছাড়া গাড়ি চলাচল করছে একপাশ দিয়ে।
সড়ক দিয়ে চলাচলকারী কটালপুর বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াছিন(৪৫) বলেন, সরু সেতুটি দ্রুত সংস্কার করে আরেকটি নতুন সেতু নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।
লেগুনা চালক আশিক মিয়া বলেন, সেতুর রেলিং ভেঙে যাওয়ায় যেকোনো সময় দ্রুত গতির কোনো মালবাহী গাড়ি আসলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় বলে জানান তিনি।
সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান বলেন, সেতুটি নতুন করে নির্মাণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে নকশা (ডিজাইন) পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদন হলে ট্রেন্ডারের মাধ্যমে পুরনো এই সেতু ভেঙে নতুন একটি সেতু নির্মাণ করা হবে।
আপনার মন্তব্য