নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ জুন, ২০২৩ ১৪:১৮

‘লাটিম’ পেলেন খালেদ আকবর, সুশাসন নিশ্চিত করে গড়তে চান ‘মডেল ওয়ার্ড’

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেছে নির্বাচন কমিশন।

শুক্রবার (২ জুন) সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় থেকে এই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

নির্বাচনে ৭ মেয়রপ্রার্থীর পাশাপাশি সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

লেখক, সংগঠক ও সমাজকর্মী খালেদ আকবর চৌধুরী সিটি নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি ‘লাটিম’ প্রতীক পেয়েছেন।

প্রতীক পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় খালেদ আকবর চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে আমার প্রত্যাশিত প্রতীক ছিল ‘লাটিম’। নির্বাচন কমিশন ‘লাটিম’ প্রতীক আমাকে বরাদ্দ করেছে।

তিনি বলেন, সুনাগরিকের প্রথম দায়িত্ব সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন। ভোটাধিকার প্রয়োগের সময় সুনাগরিক হিসাবে আমাদেরকে অবশ্যই অনেক কিছু বিবেচনায় এনে আমাদের মূল্যবান ভোটটি প্রদান করতে হয়। মনে রাখতে হয়, সঠিক জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার সুযোগ প্রতি পাঁচ বছর পর পর আমাদের কাছে আসে। তাই একবার সিদ্ধান্ত নিয়ে অযোগ্য কাউকে নির্বাচন করলে পাঁচ বছর তার খেসারত দিতে হয়।

নগরের ৫ নং ওয়ার্ড একটি ‘মডেল ওয়ার্ড’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ওয়ার্ডের অনেক সমস্যা। অবকাঠামোগত সমস্যার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় সমস্যা সুশাসন। সুশাসন নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে আমি প্রার্থী হয়েছি। আমি প্রচলিত সকল ধ্যাণধারণা বদলে দিতে চাই। ওয়ার্ডের একজন কাউন্সিলর যে সমূহ সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও কাজ করতে পারেন, সে প্রমাণ আমি রাখতে চাই। নগরের ৫ নং ওয়ার্ডকে মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়তে চাই।

খালেদ আকবর চৌধুরী বলেন, এলাকাবাসী পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখে। আমি তাদের স্বপ্নের সেই সারথি হতে চাই। পরিবর্তন শুধু প্রতিবাদ ও রাজনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; আমাদের দুটি কাজ করতে হবে। এক. জনসচেতনতা বাড়াতে কাজ করতে হবে; দুই. সংগঠিত হয়ে সেসব প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে হবে, যারা সংস্কারের জন্য কাজ করবে।

আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠেয় সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নগরের ৫নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন বর্তমান কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, খালেদ আকবর চৌধুরী, কামাল মিয়া, নাজমুল হোসাইন, শেখ মো. সাহেদ সিরাজ, রিমাদ আহমদ রুবেল ও আমিনুর রহমান।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত