বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

০৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ২৩:৫৯

দলে গ্রহণযোগ্যতা নেই ‘শফিক-ইয়াহ্ইয়ার’: ড. মান্নান

সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শফিকুর রহমান চৌধুরী কোন উন্নয়ন করেননি। একইভাবে জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ইয়াহ্ইয়া চৌধুরীও তাঁর আমলে কোন উন্নয়ন করতে পারেননি। শুধু তাই নয়, নিজ নিজ দলের কাছেও তাদের কোন গ্রাহণযোগ্যতা নেই। তাই এই আসনের সার্বিক উন্নয়ন করতেই তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সিলেটের বিশ্বনাথে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন সিলেট-২ আসনে তৃণমূল বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান খাঁন।

ওইদিন দুুপর ২টায় বিশ্বনাথ পৌর শহরের পুরান বাজারের একটি অভিযাত রেস্টেুরেন্টে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, উন্নয়ন না করায় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ওই দুই সাংসদকে ভোট না দিয়ে সিলেট-২ আসনের জনগণ তাকে ‘সোনালী আঁশ’ মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। আর নির্বাচিত হলে তিনি তাঁর বেতনের (সম্মানি) টাকাটা বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের অসহায় ও গরিব মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দেবেন। কারণ ব্রিটিশ সরকার ও জাতিসংঘ থেকে আলাদা দু’টি পেনশন ভাতা পান তিনি। যেকারণে তার কোন টাকার প্রয়োজন নেই, লোভও নেই।

কিভাবে তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দিলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মান্নান খাঁন বলেন, তৃণমূলে যোগ দেওয়ার আগে তাকে নিয়ে টানাটানি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপার্সন শমসের মোবিন চৌধুরী। তারা দু’জন (শেখ হাসিনা-শমসের মোবিন) দু’দিকে টানাটানি করায় কোনদিকে যাবেন প্রথমে তা ঠিক করতে পারেননি। পরবর্তিতে শিক্ষিত ও জ্ঞানীদের দল তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।

মান্নান বলেন, দেশের মন্ত্রী ও এমপিরা বলে থাকেন ‘বাংলাদেশ গরিব দেশ’। তবে, প্রশ্ন হলো দেশ গরিব হলে ১৩ লাখ হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে বিদেশে পাচার হলো কি-করে। এই টাকা কোথা থেকে আসলো।

মতনিমিয় সভায় স্থানীয় সাংবাদিকরা ছাড়াও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান খাঁনের দুই মেয়ে ইয়ারুন আক্তার জেসমিন ও তাহমিনা আক্তার মুন্নি উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত