২০ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০৭
বাঁচানো গেলো না সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্রলীগ কর্মী কাজী হাবিবকে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিজ দলের প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় আহত হন হাবিব। রাতে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।
ছাত্রলীগের এক গ্রুপ ছেড়ে অন্য গ্রুপে যোগ দেওয়ার কারণে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। হাবীব সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ ৪র্থ বর্ষের ছাত্র।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট আসার দু'দিন আগে আভ্যন্তরীণ কোন্দলে খুন হলেন ছাত্রলীগ নেতা।
কাজী হাবিবের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগরীর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুহেল আহমদ।
হাবিব ব্রাহ্মবাড়িয়ার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করার কারণে সিলেট নগরীর কানিশাইল এলাকায় একটি মেসে থাকতেন তিনি।
জানা যায়, কাজী হাবীব সাগর গ্রুপের কর্মী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি গ্রুপ বদল করে ছাত্রলীগের মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার গ্রুপে যোগ দেন। গ্রুপ বদলের দায়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হামলার শিকার হন হাবীব।
আশংকাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নগরীর মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১১ টায় এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
হামলার প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে এগারোটায় নগরীর শামীমাবাদে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মাঠে সাগর ও সোহেলের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগকর্মী তার উপর হামলা চালায়। এসময় হাবিবকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তারা। পরে আশপাশের শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
সহপাঠীরা জানান, হাবিব সম্প্রতি মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন সমর্থিত গ্রুপ ছেড়ে তেলিহাওড় গ্রুপে যোগ দেয়। একারণেই আসাদ উদ্দিন সমর্থিত গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মীরা তার ওপর হামলা করেছে বলে দাবী হাবিবের সহপাঠীদের।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর মুহিব ইবনে সিরাজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
আপনার মন্তব্য