১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:৩৪
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামের দীর্ঘদিনের দুপক্ষের দ্বন্দ্ব ও বিরোধ মধ্যস্থতা করে উভয়পক্ষকে সকল দ্বন্দ্ব ভুলে এক কাতারে ফিরালেন দিরাই- শাল্লা আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সহধর্মিণী পারভীন আক্তার চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাল্লা উপজেলা পরিষদ গণমিলনায়তনে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে বিরোধ মীমাংশা করেন। উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে তাদের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বে ইতি টানেন এমপি পত্নী। দীর্ঘদিন ধরে শ্রীহাইল গ্রামে জুবায়ের আহমেদ ডালিম ও আফজাল মিয়া গ্রুপের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ ও দ্বন্দ্ব ছিল। একাধিকবার মারামারি সহ একে অপরের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।
এই বিষয়টি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক উদ্যােগে এমপি-পত্নী পারভীন চৌধুরীকে জানানো হলে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দুই পক্ষের মুরুব্বীদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠকে পারভীন চৌধুরী উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি দূর করে মিলেমিশে থাকার আহ্বান জানান।
বিরোধ মীমাংসা শেষে পারভীন চৌধুরী বলেন," এমপি সাহেব নিজেও চায় যাতে দিরাই-শাল্লায় যাতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে। একে অপরে মারামারি, হানাহানি করুক এমপি সাহেব এটা কখনো মেনে নিবেন না। এমপি সাহেবের পরামর্শ নিয়ে তার দিকনির্দেশনা মোতাবেক আজকের বিষয়টি আপোষে মীমাংসা করা হয়েছে।
শালিস বৈঠকে এসময় উপস্থিত ছিলেন, শাল্লা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুগ্ম আবহ্বায়ক আব্দুল আওয়াল, আব্দুল করিম, নিত্যানন্দ দাস নিতাই, সাংবাদিক রুদ্র মিজান, আবু হানিফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুর রহমান, কৃষকদলের সদস্য সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হাবুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নুরুল আমিন, কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোমান আহমেদ, ছাত্রদল নেতা, শাকিল আহমেদ, আশিক মিয়া প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য