০৮ এপ্রিল, ২০১৬ ২০:৩৫
তৃতীয় ধাপে আগামী ২৩ শে এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার প্রার্থীরা প্রতীক পেয়ে মাঠে ভোটযুদ্ধে নেমে পড়েছেন। অনেকে পছন্দের প্রতীক পেয়ে মিষ্টি মুখও করিয়েছেন এমন খবর ও পাওয়া গেছে। সর্বত্রই বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই ইউনিয়ন ইউনিয়নে প্রচার প্রচারণার মাত্রা এত বেড়ে গেছে যে,মনে হচ্ছে কোন উৎসব আসছে। প্রার্থী ও তার লোকজন ভোটারদের মনোরঞ্জন করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বুকে বুক লাগিয়ে,হাতে হাত দিয়ে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন। দলীয় ও স্বতন্ত্র্র প্রার্থীরা তাদের সমর্থিত লোকজনদের নিয়ে দফায় দফায় শোডাউন ও এলাকায় ঘরোয়া পরিবেশে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
গতকাল শুক্রবার পবিত্র জুম্মার নামাজের সময় স্থানীয় মসজিদে গিয়ে প্রার্থীরা দোয়া চেয়েছেন বলে জানা গেছে। নামাজের পরই বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রার্থীরা গণসংযোগ করেছেন।ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে অবস্থিত হাট-বাজারে সুতো টাঙ্গিয়ে পোস্টার ঝুলিয়ে দেয়ার রীতিমতো প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে। দলীয় প্রার্থীরা প্রতীক পেয়েই নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে ঠিক করছেন প্রচারণার কৌশল।
বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীদের ও সাধারণ ভোটারদের কথা বলেছেন,তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনেছেন। শুনাচ্ছেন উন্নয়নে ফুলঝুরি। গতকাল আছরের নামাজের পর কয়েকটি হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে,দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হাতে লিফলেট নিয়ে প্রতিটি দোকানে গিয়ে দোয়া ও ভোট চাচ্ছেন।
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের তৎপরতা ও ব্যস্ততা ততই বেড়ে চলেছে।প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি। ব্যাপক গণসংযোগ আর ভোটকেন্দ্রিক মুখরোচক আলোচনা চলছে উপজেলার প্রতিটি হাটবাজার গুলোতে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হোটেল ও চা দোকানিদের বাণিজ্য ও বেশ জমে উঠেছে।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হোটেল-রোস্তোরাগুলো থাকে লোকজনে কানায় কানায় পরিপূর্ণ। কালবৈশাখীর সঙ্গে সঙ্গে চায়েরও কাপে ও ঝড় তুলছেন সাধারণ ভোটাররা। সর্বত্রই গুঞ্জণ,কারা হচ্ছেন ১৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও মেম্বার?কাকে ভোট দিলে সাধারণ মানুষের উপকার হবে,এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে। এ নিয়ে চলছে বেশ আলাপ-আলোচনা।
আপনার মন্তব্য