১৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৯:১৭
সিলেট যৌতুকের জন্য গৃহবধু সুমা বেগমের উপর নির্যাতনের ঘটনায় রবিবার ভোররাতে আরো দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ, তবে এখন পর্যন্ত মূল আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন সুমা বেগমের স্বামী বেলালের মামাতো ভাই ফয়েজ মিয়া ও ভাগনে রেদওয়ান আহমদ। তাদেরকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার খানুয়া গ্রাম থেকে আটক করে জালালাবাদ থানা পুলিশ। পরে রবিবার দিনে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার হোসেন জানান, নির্যাতনে সহযোগিতার অভিযোগে এ দুজনকে আটক করা হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত মূল আসামী বেলাল আহমদকে আটক করা যায়নি।
এদিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিত গৃহবধু সুমা বেগমের শারিরীক অবস্থার উন্নতি হয়েছে, তার জ্ঞানও ফিরেছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত ডাক্তাররা।
গত বৃহস্পতিবার সিলেটের সদর উপজেলার পশ্চিম বর্শা গ্রামে সুমা বেগমের গ্রামের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে সুমাকে বাড়ির বাইরে জ্বালানি কাঠ রাখার ঘরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন শুরু করেন বেলাল আহমেদ ও তার সহযোগীরা। এ সময় তারা সুমা বেগমের জিহ্বা ও বাঁ পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে সুমার মা বের হয়ে আসলে মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যায় বেলাল ও তার সহযোগীরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সুমা বেগমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় শুক্রবার বেলাল আহমদ ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন সুমা বেগমের ভাই হাফিজুর রহমান। মামলায় মোট ৬জনকে আসামী করা হয়েছে। এর আগে শনিবার সকালে বেলালের মা জয়নবুন্নেছাকে আটক করা হয়।
আপনার মন্তব্য