১৮ মে, ২০১৫ ২৩:১৭
ফেন্সিডিলসহ ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করে বিপাকে পড়েছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেন।
নিজেদের নেতাকে ফেন্সিডিলসহ আটক করায় উল্টো ওসির অপসারণ দাবিতে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের মদিনা মার্কেটের সামনে নেতাকর্মীদের অবরোধের কারণে এলাকা জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অবরোধ তুলে নেন।
সিলেট জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজান পারভেজ রোববার (১৭ মে) বিকেলে ফেন্সিডিলসহ বাদাঘাট এলাকা থেকে আটক হন। তাকে আটক করে আদালতে হাজির করে জালালাবাদ থানা পুলিশ।
আর এতে ক্ষেপে গিয়ে সোমবার রাত সাড়ে আটটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের মদিনা মার্কেট সংলগ্ন স্থানে অবরোধ করেন ছাত্রলীগ এবং স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরা। পরে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেনের অপসারণ এবং 'মিথ্যা মামলা' প্রত্যাহারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা ডা. জামিল আহমদ চৌধুরী তামিম বলেন, পুলিশ মিথ্যা নাটক সাজিয়ে মিজান পারভেজকে আটক করেছে। আমরা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ওসি আখতার হোসেনের অপসারণের দাবিতে অবরোধ করেছি।
এ ব্যাপারে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেন জানান- রোববার বাদাঘাট এলাকার স্থানীয় জনতা ঐ ব্যক্তিকে ফেন্সিডিলসহ আটক করেছিল। পুলিশ আইননুযায়ী তাকে কোর্টে প্রেরণ করেছে। তারা (অবরোধকারীরা) অযৌক্তিক কারণে অবরোধ করেছেন। পুলিশ আইনের বাইরে কোন কাজ করেনি- জানান তিনি।
আপনার মন্তব্য