২৭ মে, ২০১৫ ১৪:৩১
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দিলীপ কুমার বণিক বলেছেন, উন্নত চরিত্র গঠনে নৈতিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিশুদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা শিশুদের মাঝে নৈতিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি গতকাল দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ২০১৪ শিক্ষাবর্ষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিশুদের সর্তকতার সাথে পাঠদান করা উচিত। এ কাজে কোন ধরণের গাফিলতি চলবে না।
হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিলেট বিভাগের ট্রাস্টি রাখাল চন্দ্র ঘোষ, সরকারি বৃন্দাবন কলেজের অধ্যাপক সত্যেন্দ্র কুমার শীল ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি অ্যাডভোকেট পূণ্যব্রত চৌধুরী বিভু। বক্তব্য রাখেন প্রদীপ দাশ সাগর, শিশির কুমার, পরেশ চন্দ্র দাস, রাজিব দাশ, শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র দাস প্রমূখ। শুরুতে পবিত্র গীতা থেকে শ্লোক পাঠ করেন কমল চন্দ্র দাস।
হবিগঞ্জে ১৪৯ জন শিক্ষকের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন সঞ্চিতা গোয়ালা, গোবিন্দ চন্দ্র দাস, শিলা রানী দাশ, অনন্তী রানী নাথ ও শুক্লা রাণী শীল। জেলার ৪ হাজার ৪৭৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন ঐশী দেবনাথ, দ্বীপ দাশ, রিচিতা দেব, প্রজ্ঞা সরকার, সূচনা রানী নাথ, উপমা দাস, অনিকা রানী সূত্রধর, নিরব দাস, চন্দ্রিকা রানী রায় ও টিনা রানী দেব।
প্রসঙ্গত, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৩ সাল থেকে হবিগঞ্জে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।বর্তমানে জেলায় শিক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪৯টি।
আপনার মন্তব্য