শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি

২৮ মে, ২০১৫ ১৬:৩১

এবার ও ইসমাইল হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়নি

মোঃ ইসমাইল হোসেন ২০০৬ সালের ২৮ মে দুরারোগ্য ক্যান্সারব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ভারতের মাদ্রাজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগে যে নেতৃত্ব শূন্য করে রেখে গিয়েছিলেন আজও তার অবসান হয়নি। তাঁর নবম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রীমঙ্গলবাসী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করে বর্তমান আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। গতকাল ২৮ মে বৃহস্পতিবার মোঃ ইসমাইল হোসেন স্মরণে এক স্মৃতিচারণ সভা আয়োজন করবেন এটাই শ্রীমঙ্গলবাসীর আসা ছিল। কিন্তু এবারও পালন করা হলো না। 


বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতা সংগ্রামের সংগঠক মোঃ ইলিয়াস ও আলতাফুর রহমানের একান্ত সহচর স্বাধীনতা সম্মূখ সমরে দৃষ্টান্ত রেখেছেন অনেক। স্বাধীনতা সংগ্রাম শেষে স্বাধীন শ্রীমঙ্গলে ফিরে এসে দেশ গঠনে এবং শরনার্থী পুর্নবাসনে অবদান রেখেছেন অনেক।
তারপর বীরমুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত হয় শ্রীমঙ্গলের প্রথম আওয়ামী যুবলীগ কমিটি। শেখ মনির খুবই পছন্দের এবং আদরের সংগঠন ছিল শ্রীমঙ্গল থানা আওয়ামী যুবলীগ কমিটি। সভাপতি ছিলেন মোঃ ইসমাইল হোসেন, সহ-সভাপতি গোপাল দেব চৌধুরী, বদরুজ্জামান চৌধুরী, কোহিনুর চৌধুরী, সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম তরফদার, সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় ভূষণ দেব চৌধুরী আরও অনেক। পরবর্তীকালে ইসমাইল হোসেন শ্রীমঙ্গল থানা আওয়ামীলীগের সম্পাদক এবং এরপর সভাপতি নির্বাচিত হন। তাঁর জীবনের রাজনৈতিক পথপরিক্রমা কখনও দল বদল করেননি। এক অসাধারণ বক্তা ছিলেন তিনি। ইসমাইল হোসেনের সভা মানেই কানায় কানায় পরিপূর্ণ এক সমাবেশ। বলিষ্ট এবং সৎ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি জনগণের নিকট পরিচিত ছিলেন। জীবনে কখনও অর্থের পেছনে ছুটেননি। তাই তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের ইতিহাস খুবই করুন।

রাজনৈতিক জীবনে একজন সফল রাজনৈতিক ছিলেন। আজীবন সংগ্রামী এই বীর মুক্তিযোদ্ধা শেষ পর্যন্ত হার মানলেন মৃত্যুর কাছে।

শ্রীমঙ্গলে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির এই জননেতার প্রতি মারা যাওয়ার পর মৃত্যু বার্ষিকী ছাড়া দীর্ঘ নয় বছরেও তার স্বরনে কোন আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়নি কোন পক্ষ থেকে।

 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত