০২ ফেব্রুয়ারি , ২০১৮ ২৩:৪২
ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের ১৮৩তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে সিলেট রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে ৪ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।
১৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ভোর ৫টায় মঙ্গলারতি ও স্তোত্র পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হবে উৎসবের প্রথম দিন। পরে একইদিন সকাল ৭টায় শ্রীরামকৃষ্ণ লীলা প্রসঙ্গ, গীতা ও চণ্ডীপাঠ, সকাল ৮টায় ঠাকুরের বিশেষ পূজা, হোম ও পরে মহোৎসব। সকাল সাড়ে ১০টায় আলোকিত কথামৃত পাঠচক্র, করেরপাড়া সিলেটের অংশগ্রহণে গীতি আলেখ্য। দুপুর সাড়ে ১২টায় নাট্যম সঙ্গীত বিদ্যালয় কাজলশাহ, সিলেটের পরিবেশনায় সংগীতালেখ্য। বেলা আড়াইটায় শিল্পকলা একাডেমী বালাগঞ্জের পরিবেশনায় সঙ্গীতানুষ্ঠান, বিকেল ৪টায় অনূর্ধ্ব ১২ বছরের শিশু কিশোরদের সঙ্গীত ও আবৃত্তি। সন্ধ্যা ৫টায় সুবিনয় রায়ের পরিচালনায় সংগীতালেখ্য অনুষ্ঠিত হবে।
পরে সন্ধ্যা ৬টায় বিমলেন্দু দে নান্টুর সভাপতিত্বে ‘সেবাকার্যে রামকৃষ্ণ মিশন’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি থাকবেন কুমিল্লা আযাচক আশ্রমের অধ্যক্ষ ডাঃ যুগল ব্রহ্মচারী। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করবেন ডাঃ কল্লোল বিজয় কর, বিকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, নিরেশ চন্দ্র দাস, অধ্যাপক কৃষ্ণপদ সূত্রধর, স্বামী বিষ্ণুকৃপানন্দ।
রাত ৮টায় স্বপ্নীলা চৌধুরী, পরাগরেণু দেব, শ্রাবণী চন্দ, ঐশী বর্ধন, প্রিয়াঙ্কা রায়, দেবারতি দেব তমা, অর্পা পাল ও মুমু চৌধুরীর বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে প্রথম দিনের অনুষ্ঠান।
উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) বেলা ১১টায় রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠচক্র, দক্ষিণ সুরমার পরিবেশনায় সংগীতালেখ্য’র মাধ্যমে শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় মনিনাথ কীর্তনিয়া বাহুবল হবিগঞ্জের পরিবেশনায় পদাবলী কীর্তন। বিকেল ৪টায় অনিমেষ বিজয় চৌধুরীর পরিচালনায় সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
পরে সন্ধ্যা ৬টায় অধ্যাপক বিজিত কুমার দে’র সভাপতিত্বে ‘যুগনায়ক স্বামী বিবেকানন্দ’ শীর্ষক আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন ভিসি ড. সুশান্ত কুমার দাস। বিশেষ অতিথি থাকবেন সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. পীযুষ কান্তি সরকার। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করবেন এডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য, এডভোকেট ই.ইউ শহীদুল ইসলাম, প্রভাষক কানন কান্তি দাস, স্বামী পরমপদানন্দ।
রাত ৮টায় হিমাংশু বিশ্বাস, রানা কুমার সিনহা, অনিমেষ বিজয় চৌধুরী, পঙ্কজ দেব, প্রদীপ দে, আসিত কৃষ্ণ চক্রবর্তী, নীলেন্দু ভট্টাচার্য প্রমুখের পরিবেশনায় বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান।
উৎসবের তৃতীয় দিন ১৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বেলা ১১টায় পদ্মিনী রায় ইমনের পরিচালনায় গীতি আলেখ্য’র মাধ্যমে শুরু হয়ে দুপুর ১২টায় পূর্ণিমা দত্ত রায়ের পরিচালনায় ভজন কীর্তন, দুপুর ১টায় মণিনাথ কীর্তনিয়ার পরিবেশনায় পদাবলী কীর্তন ও বিকাল ৪টায় প্রণতি ভট্টাচার্যের পরিচালনায় হবে সঙ্গীতানুষ্ঠান।
পরে সন্ধ্যা ৬টায় উপাধ্যক্ষ সুষেন্দ্র কুমার পালের সভাপতিত্বে ‘ধর্ম সমন্বয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রাক্তন মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। বিশেষ অতিথি থাকবেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ রেজাউল করিম। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক শাহ নজরুল ইসলাম। সিলেট ধর্ম প্রদেশের বিশপ বিজয় এনডি ক্রুজ, সিলেট বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ সংঘানন্দ থেরো, স্বামী পূর্ণব্রতানন্দ।
রাত ৮টায় প্রণতি ভট্টাচার্য, লাভলী দেব, অজন্তা চক্রবর্তী, মুন্না দত্ত, সোনিয়া রায়, সুস্মিতা চৌধুরী প্রমুখের পরিবেশনায় বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান।
উৎসবের শেষ দিন ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ডাঃ দীপিকা চক্রবর্তী ও মৌসুমী পুরকায়স্থের পরিবেশনায় সংগীতালেখ্য’র মাধ্যমে শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় দেবল দাস ও তাঁর দলের পরিবেশনায় রামকৃষ্ণ লীলা কীর্তন। দুপুর ১টায় মণিনাথ কীর্তনিয়ার পরিবেশনায় রামায়ণ গান। বিকেল ৪টায় শ্রীমা সারদা সংঘ সিলেটের পরিবেশনায় গীতি আলেখ্য অনুষ্ঠিত হবে।
পরে সন্ধ্যা ৬টায় বিরাজ মাধব চক্রবর্তী মানসের সভাপতিত্বে ‘শ্রীমা সারদা’ শীর্ষক আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোসাম্মৎ নাজমানারা খানুম। সম্মানিত অতিথি থাকবেন মহানাম সম্প্রদায় বাংলাদেশের সভাপতি কান্তি বন্ধু ব্রহ্মচারী। বিশেষ অতিথি থাকবেন মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উপাধ্যক্ষ সর্বাণী অর্জুন। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করবেন প্রকৌশলী সুধাময় দেব, বীথিকা দত্ত, স্বামী হরিদাসানন্দ প্রমুখ। রাত ৮টায় নীলাঞ্জন দাস টুকুর পরিবেশনায় নাটকের মধ্য দিয়ে ইতি ঘটবে ৪ দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানমালার।
৪ দিনব্যাপী বার্ষিক উৎসবে বৃহত্তর সিলেটের সকল শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্ত সজ্জনদের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন সিলেট রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী চন্দ্রনাথানন্দ মহারাজ।
আপনার মন্তব্য