০২ জুন, ২০১৮ ১৭:২২
সিলেট সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কাজের জন্য ভোগান্তিতে পড়েছেন মিয়া ফাজিলচিশত এলাকার বাসিন্দারা। এলাকাবাসীকে অবগত না করে, তাদের জানমালের নিরাপত্তা না দিয়ে হঠাৎ করে উন্নয়ন কাজ শুরু করায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। উন্নয়ন কাজ চলাকালে বাসার সীমানা প্রাচীর ধ্বসে একটি বাসার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
শুক্রবার মিয়া ফাজিলচিশতের শুভেচ্ছা/১৯৯ নং বাসার পিছনে সিসিকের ড্রেনের জন্য মাটি খোঁড়া শুরু হয়। এতে একটি বাসার সীমানা প্রাচীর ধ্বসে বাসার নিচের মাটি সরে যায়।
শুভেচ্ছা/১৯৯ বাসার মালিক পারভিন ফারিহা বলেন, সিটি করপোরেশন কোন ঘোষণা না দিয়ে এলাকায় ড্রেনের কাজ শুরু করেছে একমাস যাবত। কয়েকজন শ্রমিক ছাড়া এই কাজে তদারকির জন্য দায়িত্বরত কেউ নেই। কোন পরিকল্পনা ছাড়া ভবনের পাশে মাটি খোঁড়ায় ভোগান্তিতে আছি আমরা।
তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেল বেলা বিকট শব্দে আমার ২ তলা ভবনের নিচের এক অংশের মাটি সরে যায়। সীমানা প্রাচীর ধ্বসে যায়। গ্যাস লাইন, পানির লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে। বাসার একাংশ শূন্যে অবস্থান করায় আমরা আতংকে আছি। তাছাড়া শ্রমিকরা নিজেদের মত করে বিদ্যুতের খুটিসহ বিভিন্ন জিনিস আমাদের সীমানা প্রাচীরে ঠেক দিয়ে রাখেন। তাদেরকে না করলেও তারা আমাদের কথায় কর্ণপাত করেন না। অভিযোগ করার মত কোন ঠিকাদার বা সিসিক কর্তৃপক্ষও থাকেন না কাজের সময়।
তিনি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, জনগনকে অসুবিধায় ফেলে এই উন্নয়ন দিয়ে কি হবে। আমাদের ক্ষতিপূরন বা বড় ধরনের ধ্বস হলে জানের নিরাপত্তা কি সিসিক দিবে।
শুভেচ্ছা ১৯৯/২ বাসার মালিক নুরুজ্জামান সাইমুল বলেন, সিসিক অপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করায় আমাদের উন্নয়নের চেয়ে ক্ষতি বেশি হচ্ছে। আমার বাসার সীমানা প্রাচীর ধ্বসে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় শ্রমিকরা তা ভেঙ্গে ফেলে। এ ধরনের আবাসিক এলাকায় উন্নয়ন কাজ করতে হলে আগে এলাবাসীর সাথে পরার্মশ করলে হয়তো এ ক্ষতি হতো না।
এ ব্যাপারে ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী দেশের বাহিরে থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, সিটি করপোরেশনের অনেকগুলো প্রকল্প আছে। এগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আছেন। এ ধরনের কোন অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।
আপনার মন্তব্য