০৪ আগস্ট, ২০১৫ ১৪:৪২
দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে, এর ফলে অনেক নারী ও শিশুর ভবিষ্যত অন্ধকারে নিমজ্জ্বিত হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন শেষে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রই নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ফৌজদারী মামলায় প্রতিহিংসাবশত নির্বিচারে পরিবারের সবাইকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। এতে অনেক নিরপরাধ নারী ও শিশুর জীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে।
এসব মামলায় একজনের অপরাধে যেনো নিষ্পাপ কোনো শিশুর জীবন বিপন্ন না হয় সেজন্য বিশেষ নীতিমালা প্রণয়নেরও আহ্বান জানান কমিশন চেয়ারম্যান।
এ লক্ষ্যে ফৌজদারী বিচার প্রশাসনকে আরোও আধুনিকায়ন ও সময়োপযোগী করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে প্রধান বিচারপতিসহ উর্ধতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন তিনি।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই কারাগারে ১২শ’ জনের জন্য ভৌতিক ও অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা থাকলেও এখানে দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি রয়েছেন। ফলে প্রাপ্য নূন্যতম সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
বন্দিদের অধিকার প্রসংগে তিনি বলেন, দ্বিগুণ বন্দি ধারণ করলে জেলে বন্দিদের প্রাপ্য অধিকারটুকু দেওয়া অসম্ভব, অবাস্তব কথা। রাষ্ট্রকে এদিকে নজর দিতে হবে। কারাগারগুলোর ভৌতিক সুযোগ সুবিধা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন দরকার।
তিনি আরও বলেন, "বন্দি একটা অপরাধ করেছে- তার মানেই সে অস্পৃশ্য হয়ে গেছে এবং তার কোনোরকম সুযোগ-সুবিধা থাকতে পারেনা এই ধ্যানধারণা তো আর একবিংশ শতাব্দীতে চলেনা"।
কাজেই একজন বন্দির সুযোগ-সুবিধাগুলোর কথা মাথায় রেখেই কার্যক্রম ও কৌশল গ্রহণ করা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আপনার মন্তব্য