০৮ আগস্ট, ২০১৫ ০১:৪৯
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা বারের পিপি এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তারেক রহমান ও হারিছ চৌধুরী আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূণ্য করার নীলনক্সা করেছিল। এই নীল নক্সার অংশ হিসেবেই তারা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে বোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল। সারা দেশে তারা বোমা-গ্রেনেড ছড়িয়ে দিয়েছিল। তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় সারা দেশে জঙ্গি তৎপরতার বিস্তার হয়েছে। এখন তদন্তে বেরিয়ে আসছে সারা দেশে নাশকতার ঘটনায় তারেক রহমানসহ বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা জড়িত।
তিনি বলেন, জামায়াত শিবির পরিকল্পিতভাবে ২০০৪ সালের ৭ আগস্ট সিলেটে আর ২১ আগস্ট ঢাকায় গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল।
৭ আগস্ট সিলেটের গুলশান সেন্টারে গ্রেণেড হামলায় নিহত সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক মো. ইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শুক্রবার রাতে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিলো। আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ৭ আগস্টেও গ্রেনেড হামলার পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ়ভাবে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আহতদের চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিয়েছিলেন। তার অনুপ্রেণাতেই নেতাকর্মীরা মনোবল হারায়নি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গ্রেনেড হামলার বিচার শুরু করেছে। দ্রুতগতিতে বিচার চলছে। গ্রেনেড হামলার বিচারসহ সকল অপরাধের সুষ্ঠু বিচারের জন্য বিচার বিভাগ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। গ্রেনেড হামলার বিচার বন্ধ করতে দেশ-বিদেশ থেকে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো। কিন্তু কোন অপশক্তিই ন্যায় বিচার আটকাতে পারবে না। বিএনপি হচ্ছে খুনী আর নাশকতাকারিদের দল। এরা খুনের রাজনীতি করে। গ্রেনেড হামলার শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। মোহাম্মদ ইব্রাহিম আওয়ামী লীগের একজন পরিক্ষিত সৈনিক ছিলো। তার অবদান দলের সবাই কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ রাখবে সিলেটবাসী।
স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মফুর আলী, আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট রাজ উদ্দিন আহমদ, আবদুল খালিক, ফয়জুল আনোয়ার আলোয়ার, বিজিৎ চৌধুরী, অধ্যাপক জাকির হোসেন, নুরুল ইসলাম পুতুল, তপন মিত্র, জগদীশ চন্দ্র দাশ, এডিশনাল পিপি এডভোকেট শামসুল ইসলাম, আব্দুর রহমান জামিল, আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, এডভোকেট শেখ মকলু মিয়া, এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ, প্রিন্স সদরুজ্জামান, ফাহিম আনোয়ার চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, আবদুস সোবহান ও জামাল চৌধুরী।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আখতার হোসেন, জুনু মিয়া, সিরাজুল ইসলাম ইরান,সাবুল আহমদ, জাবেদ সিরাজ, নজরুল ইসলাম নাজু, সাজোয়ান আহমদ, আবদুল মোমিন, আবদুল মতিন, আবদুর আহাদ চৌধুরী, সুরুজুর রহমান, সুজন আহমদ, ছয়েফ খান প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য