নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট, ২০১৫ ১০:০০

উজানের ঢলে সিলেটের হাওড়াঞ্চলের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্থ

গেলো ক'দিনের বর্ষনে ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে বেড়ে যায় সুরমা ও কুশিয়ার নদীর পানি। বেশ কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে। হঠাৎ নেমে আসা ঢলে পানিবন্দী হয়ে পড়েন সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের সহস্রাধিক মানুষ। প্লাবিত হয়েছে দুই জেলার কয়েকহাজার হেক্টর ফসলী জমি। তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে দু'একদিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

সিলেটের বিভিন্ন পয়েন্টে সুরমা ও কুশিয়ারারা পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও শনিবার দুপুর থেকে আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে।

পাউবো, সিলেটে এর শনিবার বিকেলের রিডিংয়ে দেখা যায়, সুরমা নদীর পানি সিলেট সদরে আগের তুলনায় কমে দাড়িয়েছে ১৩.৩২ মিটারে। যদিও বিপদসীমার ২.০৭ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে সুরমার পানি ।

আপরদিকে কানাইঘাটেও বিকেলে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে সুরমার পানি। তবে দুপুর থেকে একটু একটু করে কমতে শুরু করে।

অমলসিদ ও সুনামগঞ্জেও সুরমার পানি কমতির দিকে বলে জানিয়েছে পাউবো সুত্র। তবে কয়েকদিনে ঢলে জেলায় প্রায় তিন হাজার হেক্টর আমন ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।

বিয়ানীবাজারের শ্যওলা পয়েন্টে কুশিয়ারারা পানি গত কদিন বিপদসীমার  উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও শনিবার সকাল থেকে তা কমতে শুরু করে। একই ভাবে অমলসিদে কুশিয়ারারা পানিও কমতির দিকে।

'ফ্লাস ফ্লাড' বা আকস্মিক বন্যায় সিলেটের গোয়াইন ঘাট, কানাইঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলার প্রায় সাত হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানিতে ডুবে যায়। এর মধ্যে কানাইঘাটেই ডুবে গেছে প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর জমির আমন ফসল। বেশ কিছু নিচু জনবসতির রাস্তাঘাট তলিয়ে যায় বানের জলে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী চাষীরা জানান, প্রতিবছরই আকষ্মিক ঢলের পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তাদের ফসল। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে বিশেষ কৃষি লোন প্রদানের দাবী জানান নিম্নাঞ্চলের চাষীরা।

কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ নির্নয়ের কাজ চলছে। ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হলেও ফ্লাস ফ্লাডের কারনে কেনো হতাহতের কিংবা প্রাণহানি থবর পাওয়া যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পুনর্বাসনে উদ্যোগ গ্রহন করা হবে বলেও জানান কানাইঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। 

 

 

 

 

 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত