২৫ জুলাই, ২০১৯ ২১:০৬
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সিলেটের রোজভিউ হোটেলে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, নরসিংদী ও সিলেট জেলার ৯১ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, যুব-নারী প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করনে।
‘সংলাপ, সহনশীলতা ও সহাবস্থান’ এই স্লোগান নিয়ে শান্তি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা এ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন, জেলা ভিত্তিক শান্তির জন্য সামাজিক প্রচারাভিযান প্রকল্পের ধারনা গঠন ও উপস্থাপন এবং ‘সংলাপ, সহনশীলতা ও সহাবস্থান বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের প্রধান বক্তা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অফ পার্টি কেটি ক্রোক বলেন, নাগরিক সংলাপ, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে দেশের সকল রাজনৈতিক দল একত্রে কাজ করলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র চর্চা অব্যাহত থাকবে। এই সম্মেলনে সকল রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি প্রশংসনীয়। এ ধরনের সম্মেলন আমরা চাইলেই আমেরিকাতে করতে পারি না। কিন্তু বাংলাদেশে এমন একটি সম্মেলন কারা গেছে। তার মানে আমেরিকা থেকে আপনারা অনেক ভালো অবস্থানে আছেন। আশাকরি সবাই এই রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় রাখবেন এবং একসাথে কাজ করবেন।
সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে গণতন্ত্র চর্চা অব্যাহত রাখা, মাদক মুক্ত সমাজ গঠন, ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ রোধে কাজ করা, গুজবে কান না দেওয়া, পরিবেশ রক্ষা ও নদী রক্ষার বিষয়ে আলোচনা হয়।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের রিজওনাল কো অর্ডিনেটর মোছা. রাহিমা বেগমের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন ডিরেক্টর, রিসার্চ এন্ড এম ই এল, গোলাম মোস্তফা, সম্মেলনে ‘শান্তিতে বিজয়’ প্রচারাভিযান প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের প্রকল্প সমন্বয়কারী ফরহাদ আহমেদ।
সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সাইফুল আলম রুহেল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুল, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট এনামুল হক সেলিম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ২০১৮ সালে অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে রাজনীতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘শান্তিতে বিজয়’ শিরোনামে সামাজিক প্রচারাভিযান শুরু করে। এই প্রচারাভিযানের উদ্দেশ্য ছিল কার্যকরভাবে রাজনৈতিক সংঘাত নিরসনে রাজনৈতিক দলের কর্মী ও রাজনৈতিক সচেতন জনগনের দক্ষতা বৃদ্ধি করা ও জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় কর্মী ও রাজনীতি সচেতন জনগনের শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।
আপনার মন্তব্য