২৪ আগস্ট, ২০১৫ ১৬:০১
আজমিরিগঞ্জ পৌর এলাকার সামিপুর গ্রামে পুত্রবধূর যৌতুক মামলায় শ্বশুর উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মোঃ হাবিবুর রহমান ও তার ছেলে সাইদুর রহমানকে আটক করেছে আজমিরিগঞ্জ থানা পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি হাবিবুর রহমানের ছেলে সাইদুর রহমান নরসিংদী এলাকার সুমাইয়া ইয়াছমিনকে বিয়ে করে। বিয়ের পর তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। পরে সুমাইয়া ইয়াছমিনকে নির্যাতন করে ৫ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য নরসিংদী বাপের বাড়িতে ফেলে রাখে। সুমাইয়া ইয়াছমিন এ বছরের ২৮ জুলাই নরসিংদী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শ্বশুর হাবিবুর রহমান, শ্বাশুড়ি ইনুফা বেগম ও স্বামী সাইদুর রহমানকে আসামী করে ৫ লাখ টাকার একটি যৌতুক মামলা দায়ের করে। মামলার প্রেক্ষিতে
নরংসিংদী পুলিশের আদেশে রোববার সন্ধ্যায় আজমিরিগঞ্জ থানার এসআই হুমায়ূন কবীরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজমিরিগঞ্জ বাজারের হাবীব স্টোর থেকে তাদের আটক করে।
এদিকে, হবিগঞ্জের বাহুবলে ২৬ বোতল ফেনসিডিলসহ রহিমা খাতুন ওরপে আঙ্গুরী বেগম নামে এক মহিলাকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার ঘোষপাড়া লস্করপুর গ্রাম থেকে ওসি তদন্ত আব্দুর রহমান তাকে গ্রেফতার করেন। সে ঘোষপাড়া লস্করপুর গ্রাামের মৃত আবু মিয়ার স্ত্রী।
অপরদিকে হবিগঞ্জ শহরতলীর সুলতান মাহমুদপুর গ্রাম থেকে ঋণ খেলাপির মামলায় ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আব্দুল কুদ্দুছকে রোববার রাতে গ্রেফতার করেন হবিগঞ্জ সদর থানার সেকেন্ড অফিসার ওমর ফারুক। আব্দুল কুদ্দুছ ওই গ্রামের আব্দুস শহিদের ছেলে।
এছাড়া হবিগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬৪ জন পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৪২ জন পরোয়ানাভুক্ত ও ২২ জন নিয়মিত মামলার আসামী। রোববার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা কর্মকর্তা শাহ গোলাম মর্তুজা জানান, সদর থানায় ৫ জন, চুনারুঘাট থানায় ৯ জন, মাধবপুর থানায় ২২ জন, বাহুবল থানায় ১১ জন, নবীগঞ্জ থানায় ২ জন, বানিয়াচং থানায় ১২ জন, লাখাই থানায় ১ জন ও আজমিরীগঞ্জ থানায় ২ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য