নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুলাই, ২০১৯ ১৪:০৬

তুহিন হত্যা: মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ২

গ্রেপ্তারকৃতরা বয়সে কিশোর হওয়ায় সিলেটটুডে'র সম্পাদকীয় নীতি অনুসারে তাদের মুখ ঢেকে দেওয়া হলো।

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আলমপুরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণার্থী তানভির হোসেন তুহিন (১৮) হত্যা মামলার মূল আসামিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শুক্রবার রাতে নগরী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাদেরকে আদালতে হাজির করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন মামলার মূল আসামি (১৬), তার সাথে জুতা নিয়ে তর্ক বাঁধে তুহিনের। আর অপরজন এজাহারভূক্ত আসামী (১৫)। দু'জনই ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণার্থী। গ্রেপ্তার হওয়া দু'জন বয়সে কিশোর হওয়ায় সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকম'র সম্পাদকীয় নীতি অনুযায়ী তাদের নাম প্রকাশ করা হলো না।

র‍্যাব-৯ প্রেরিত এক খুদেবার্তায় তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর শনিবার র‌্যাব আসামীদের থানায় হস্তান্তরের করেছে। এরপর দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানা যায়, বুধবার (২৪ জুলাই) সকালে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একটি কোর্সের শিক্ষার্থী তুহিনের জুতা ক্লাসের সামনে থেকে হারিয়ে যায়। এ নিয়ে এক সহপাঠী সাথে তর্কাতর্কি হয় তার। তর্কের জেরে দুপুরে দলবল নিয়ে এসে তুহিনকে মারধর করা হয়। এ সময় কাঠের টুকরো দিয়ে তুহিনের মাথায় আঘাত করে তারা। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুপুরে তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বিকেলে ঢাকায় যাওয়ার পথে সে মারা যায়। তুহিন গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জের কোনাচর দক্ষিণভাগ পলিকাপন গ্রামের মানিক মিয়ার পুত্র।

এর আগে বুধবার রাতেই এই মামলার আরেক আসামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই রাতেই নিহত তুহিনের চাচা নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে তায়েফ, কামরুলসহ ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি সিলেট মহানগর হাকিম সাইফুর রহমানের আদালতে হাজির করলে সে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে বলে জানান মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত