১৫ আগস্ট, ২০১৯ ১৪:৩৭
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা শুধু কিছু বিপথগামী সেনাসদস্যের কাজ নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক চক্রান্তও ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেট সিটি করপোরেশনের সভাকক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “সেদিন যে চক্রান্তে কালো রাতের সৃষ্টি হয়েছিল, যে চক্রান্তে জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়েছিল, সেই চক্রান্ত সেদিন যেমন ছিল আজও তেমনি আছে।”
সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবরের কোরআন তেলাওয়াত ও লাইসেন্স শাখার কর্মকর্তা জ্যোতিষ চক্রবর্তীর গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল আজিজ।
সিটি কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-১ মোহাম্মদ তৌফিক বক্স লিপনের সভাপতিত্বে ও চন্দন দাশের সঞ্চালনায় অলোচনা সভায় বিধায়ক রায় আরও বলেন, “১৯৯৬-এ দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিলের আগ পর্যন্ত ২১ বছর স্বঘোষিত খুনিরা বিচারের আওতা থেকে মুক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছিল। অনেক দেরিতে ও পাহাড়সম বাধাবিপত্তি পেরিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন হয়েছে। খুনিদের মধ্যে পাঁচজনের ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়েছে, কিন্তু দণ্ডিত বাকি ছয় খুনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করতে না পারাটা জাতির জন্য হতাশার।”
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সিটি কাউন্সিলর আজম খান, ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, তারেক উদ্দিন তাজ, মহিলা কাউন্সিলর এডভোকেট ছালমা সুলতানা, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, সিসিকের অফিসার এসোসিয়েশনের আহবায়ক নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম, কর কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন ও কর্মচারী সংসদের সভাপতি মো. আব্দুল বাসিত।
পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সিসিকের পরিচালনাধীন বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে সনদ ও উপহার সামগ্রী তোলে দেন অতিথিরা।
এর আগে নগর ভবন থেকে এক শোক র্যালি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
আপনার মন্তব্য