০৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ১৬:৩০
লেখক ও ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলায় আটক মান্নান রাহি হতাকান্ডে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করলেও তার ভাই মোহাইমিন নোমান ওরফে এএএম নোমান সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির কলে নোমান দায় স্বীকার করেনি। আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর হাকিম ৩য় আদালতের বিচারক আনোয়ারুল করিম তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই আদালতেই বুধবার অনন্ত বিজয় হত্যার দায় স্বীকার করে রাহি।
আদালতে দেয়া প্রতিবেদন অনন্ত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক আরমান আলী উলেখ করেছেন, মোহাইমিন নোমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রয়োজনে তাকে আবার রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানানো হবে।
বুধবার বিকেলে সিলেট মহানগর হাকিম ৩য় আদালতে দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন মান্নান রাহি। অনন্ত হত্যায় ৫ জন অংশ নেয় বলে আদালতকে জানায় রাহি। আদালতের বিচারক আনোয়ারুল করিম রাহির জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
এছাড়া অনন্ত হত্যা মামলায় বুধবার ভোরে সিলেটের টুকেরবাজার থেকে গ্রেফতারকৃত আবুল খয়ের ৭ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
গত ২৮ আগস্ট, শুক্রবার ভোরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর একটি দল সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার পূর্ব পালজুর গ্রামের হাফিজ মঈনুদ্দিনের ছেলে মান্নান ইয়াহিয়া ওরফে মান্নান রাহী ও তার ভাই মোহাইমিন নোমান ওরফে এএএম নোমানকে আটক করে। ওইদিনই অনন্ত হত্যা মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয় সিআইডি।
এর আগে গত ৭ জুন আলোচিত এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় সিলেটের স্থানীয় একটি দৈনিকের আলোকচিত্রী ইদ্রিস আলীকে গ্রেফতার করে সিআইডি। পরে রিমান্ড শেষে তিনি জেলহাজতে আছেন।
গত ১২ মে নগরীর সুবিদবাজারে নিজ বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশকে।
আপনার মন্তব্য