শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ১৫:০৬

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শ্রীমঙ্গলে জন্মষ্টমী উদযাপিত

বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব জন্মাষ্টমী। সার্বজনীন শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ৫ দিন ব্যাপি বিভিন্ন অনুষ্টানমালার আয়োজন করে। গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় শ্রীশ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব।

গত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে ১০ টায় হবিগঞ্জ রোডস্থ জগন্নাথ দেবের আখড়া প্রাঙ্গনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে স্বাগত সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। পরে ১১টায় মঙ্গলশোভা যাত্রা, সংকীর্তন ও সম্প্রীতি সমাবেশের উদ্বোধনী অনুষ্টান অনুষ্টিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনধীর কুমার দেব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শহীদ মোহাম্মদ ছাইদুল হক, প্রেসক্লাবের সভাপতি গোপাল দেব চৌধুরী, ডা: হরিপদ রায়, থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মাহবুবুর রহমান, শিক্ষক ও লেখক দ্বীপেন্দ্র ভট্টাচার্য, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক জহর তরফদারসহ আরো অনেকে। এসময় শ্রীকৃষ্ণ সংকলনের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্টান শেষে আখড়া প্রাঙ্গন থেকে বিশাল মঙ্গলশোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় আখড়া প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।  
সনাতন সম্প্রদায়ের উৎসবের দিন। আজকের এই দিনে বিষ্ণুর অবতার শ্রী কৃষ্ণ মানব প্রেমের বাণী নিয়ে পৃথিবীতে আসেন। বসুদেব ও দেবকীর অষ্টম পুত্র শ্রীকৃষ্ণ। তার জন্ম হয়েছিল মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসের কারাগারে। দৈববাণীর মাধ্যমে কংস যখন জানতে পারেন দেবকীর গর্ভের  সন্তানের হাতে তার মৃত্যু হবে তখন তিনি শ্রীকৃষ্ণের পিতা বসুদেব ও মাতা দেবকীকে বন্দি করেন এবং একে একে তাদের ছয় সন্তানকে হত্যা করেন। দেবকী তার সপ্তম গর্ভ রোহিণীকে প্রদান করলে বলরামের জন্ম হয়। এরপরই জন্মগ্রহণ করেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। কৃষ্ণের জীবন বিপন্ন জেনে পিতা বসুদেব জন্মরাত্রেই দৈব সহায়তায় কারাগার থেকে বের হয়ে তাকে বসুদেবের পালক পিতামাতা যশোদা ও নন্দের কাছে রেখে আসেন। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত