২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ১৯:৫৪
সিলেটের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার এমডি আল আমিন বলেছেন- ২০৫০ সালে বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। এ জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ আয় রাজস্ব খাতে আয় বাড়াতে হবে এবং সকলকে কর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় সিলেট নগরীর রিকাবিবাজার মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, গত সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে দেড় হাজার কোটি এবং মঙ্গলবার মেলার রাজস্ব আয় ২ হাজার কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এটা সম্ভব হয়েছে রাজস্ব বিভাগ কর প্রদানে জনবান্ধব পরিবেশ তৈরীর কারণে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের কোটায় পৌছবে। আমাদের অনেকগুলো স্বপ্ন আছে। এরমধ্যে জিডিপি ৬ থেকে ১০ এ নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অত্যান্ত বলিষ্টভাবে বিশ্বের দরবারে দাঁড়িয়ে কথা বলে থাকেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতি আজ বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পেরেছে।
সিলেট কর অঞ্চলের কর কমিশনার মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের কমিশনার ড. এ কে এম নুরুজ্জামান, সিলেট মেট্টোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি আফজাল রশিদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক (অর্থ) ও সিলেট বিভাগীয় ক্রিড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।
রাষ্ট্রের উন্নয়নে সপৃক্ত হওয়ার জন্য সকলকে কর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সভাপতির বক্তব্যে কর কমিশনার মাহমুদুর রহমান বলেন, একজন সচেতন নাগরিক নিজেই কর প্রদানের অধিকার রাখেন। কর সহজীকরণে রাজস্ব বোর্ড প্রথমবারের উপজেলা পর্যায়ে মেলার আয়োজন করেছে। এতে যথেষ্ট সাঁড়াও মিলেছে।
যুগ্ম কর কমিশনার জাকির হোসাইনের পরিচালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত কর কমিশনার তোহিদুল ইসলাম, উপ করি কমিশনার শান্ত কুমার সিংহ, সহকারি কর কমিশনার কাজল কুমার সিংহ, আইয়ুব আলী, অমিত কুমার দাশ, বিধান দেবনাথ প্রমুখ।
‘সুখি স্বদেশ গড়তে ভাই, আয়করের বিকল্প নাই’ এই øোগানে ১৬ সেপ্টেম্বর নগরীর রিকাবীবাজারস্থ মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে আয়কর মেলা অনুষ্ঠিত হয়। আর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা সমাপ্ত হয়।
এদিকে, সপ্তাহব্যাপী মেলায় ২০টি বুথ স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে একটি অভ্যর্থনা কক্ষ, ৩টি ইটিআইএন রেজিস্ট্রেশন বুথ, ১টি তথ্য কেন্দ্র, জনতা ও সোনালী ব্যাংকের একটি করে বুথ এবং রিটার্ণ গ্রহণ বুথ ছিল ৮টি। পাশাপাশি একটি মেডিকেল ও মহিলাদের জন্য রিটার্ণ গ্রহনের পৃথক বুথ সুবিধা রাখা হয়।
আপনার মন্তব্য