নিউজ ডেস্ক

০৩ অক্টোবর, ২০১৫ ০৯:১৭

নবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা সিলেট মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত জনে দাঁড়িয়েছে। রবিবার ভোরে ওসমানী হাসপাতালে চিকসাধীন অবস্থায় গুরুতর আরো একজনের মৃত্যু হয়।

এরআগে শনিবার রাতেই এ দুর্ঘটনায় ৬ জন মারা যান। এদের মধ্যে ঘটনা স্থলে তিনজন, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দু'জন ও মৌলীভীবাজার সদর হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়।

আজ ভোরে ওসমানী হাসপাতালে আরো একজন মারা গেলে। তার নাম পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায় নি। এই দুর্ঘটনায় আহত আরো অন্তত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দুর্ঘটনার পরপর গুরুতর আহত ৬ জনকে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

এদের মধ্যে রাত ১১ টার দিকে জেলা আওয়মামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মোস্তাক আহমদ পলাশের স্ত্রী মোরশেদা বেগম (৪০) ও জালালাবাদ সেনানিবাসে কর্মরত সেনা সদস্য আবু সালেহ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মোরশেদা বেগম অন্তঃস্বত্ত্বা ছিলেন।

এদিকে, মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিহত আওয়ামী লীগ নেতা পলাশের শিশুপুত্র মেহেদীর মরদেহ সকালে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসা হয়।

ঘটনাস্থলে নিহতদের মধ্যে তরিকুল (৩৫) এবং বাসের সুপারভাইজার লক্ষীপুরের মহসিন আলী টিপু (৪৫)'র পরিচয় পাওয়া গেছে।

বাসে স্ব-পরিবারে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মোস্তাক আহমদ। এ সময় তিনিসহ স্ত্রী মোরশেদা বেগম (৪০), ছেলে মেহেদী (৪), মেয়ে মীম (৭) ও তাঁর গৃহকর্মী মনোয়ারা গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা মোস্তাক আহমদ, তার স্ত্রী মুর্শেদা বেগম, মেয়ে মীম, ও গৃহকর্মী মনোয়ারাকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের সৈয়দপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে সিলেটগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস সৈয়দপুরে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনস্থলেই ৩ যাত্রী নিহত হন। আহত হন কমপক্ষে ২০ জন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত