০৪ মে, ২০২০ ২০:২১
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক। এসময় তিনি হামলা, লুটপাট, ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
সোমবার (৪ মে) জুড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ অফিস কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ দ্বারা ষড়যন্ত্র করে হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর এবং মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। আমি গত ১ মে উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামের বন্ধু পোল্ট্রি ফার্মে হামলা, লুটপাট এবং ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত নই। হেয় প্রতিপন্ন করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে আমার নির্বাচনী প্রতিপক্ষরা আমাকে এ মামলায় জড়িয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, মূলত সরকারের দেওয়া একটি হার্ভেষ্টার মেশিন দেখতে সেখানে আমি যাই। যাওয়ার পর এলাকাবাসী আমার কাছে অভিযোগ করে যে, ফার্মের দুর্গন্ধের কারণে তাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকার শিশু ও বয়স্করা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এসব থেকে তারা প্রতিকার চান।
ঘটনা বলার সাথে সাথে কে বা কারা ডিল ছুড়ে দেয়। এতে করে বদরুল নামের একজন আহত হলে এলাকার কয়েকজন ফার্মের বেড়ার নেট ছিঁড়ে ফেলে। আমি তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়ে চলে আসি । আমার পরিচিত একজনের বাড়িতে চা খেতে গেলে শুনতে পাই, এলাকার দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। এরপর আমি নিজে ইউএইচওকে ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স পাঠাতে বলি এবং ওসি সাহেবকে ফোন করে পুলিশ পাঠাতে বলি।
তিনি বলেন, ঘটনার ৩ থেকে ৪ মিনিটের মধ্যেই দেখতে পারি আমার প্রতিপক্ষরা সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘটনাকে অন্যভাবে প্রভাবিত করতে লোকজনকে উৎসাহিত করছে। আমি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।
আপনার মন্তব্য