০৮ অক্টোবর, ২০১৫ ১৫:১১
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে এসিড নিক্ষেপ করে ঝলসে দেওয়া হয়েছে এক কলেজ ছাত্রীর শরীর। এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় স্থানীয় বখাটে মোহন মিয়া (২০) আটক করেছে পুলিশ। প্রেমের প্রস্তাবে প্রত্যাখ্যাত হয়ে মোহন এসিড নিক্ষেপ করে বলে জানায় পুলিশ।
এসিড নিক্ষেপে গুরুতর আহত সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী সুখি বেগম (১৭) কে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে এ এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনের বাক ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে সুখিকে অনেকদিন থেকেই প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো একই গ্রামের বখাটে মোহন মিয়া। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার বিভিন্ন সময় সুখিকে বিরক্ত করতো সে। কলেজ যাওয়া আসার পথেও উত্যক্ত করতো।
বুধবার রাত দেড়টার দিকে রান্নাঘর দিকে ঘর ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় সুখির শরীরে এসিড ছুঁড়ে মারে মোহন। এতে সুখির মুখ ও হাত ঝলসে যায়। সাথে সাথে তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ও আজ সকালে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় আক্রান্তের ভাই মনোয়ার হাসেন বাদি হয়ে জামালগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে, এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে অভিযান চালিয়ে মোহন মিয়াকে আটক করে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ। মোহন লক্ষীপুরের সালেক মিয়ার ছেলে।
জামালগঞ্জ থানার এসআই মোস্তফা কামাল সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমে জানান, প্রমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায়ই এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
আপনার মন্তব্য