শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ ইং

বেনাপোল প্রতিনিধি

০৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:১৩

বেনাপোলে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ইন্টারনেট সার্ভারে প্রিন্টার ত্রুটির কারণে তৃতীয় দিনে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে দুই দেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য। গত ২ দিনে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছিল বেনাপোল বন্দর।

সোমবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকে এ পদ্ধতিতে আমদানি বাণিজ্য শুরু হয়।

তবে বন্দরে লোড-আনলোডসহ পণ্য ডেলিভারি প্রক্রিয়া সচল রয়েছে। এ পথে পাসপোর্ট যাত্রীর যাতায়াতও স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল জানান, আগে পেট্রাপোল বন্দরে হাতে কলমে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ হতো। বর্তমানে সেখানকার বন্দরে অটোমেশন প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অনলাইনে সম্পন্ন হয়। শনিবার (২ নভেম্বর) ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে অনলাইনে ইন্টারনেট সার্ভারের প্রিন্টারে ত্রুটি দেখা দেয়ায় গত তিন ধরে এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে ভারতের কাস্টমসের আন্তরিকতায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে কিছু পণ্য ভারতে রপ্তানি হচ্ছে।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার দ্বীপা রানী হালদার বলেন, দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও আমাদের কমিশনার মহোদয়ের আন্তরিকতায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে রপ্তানি সচল করা হয়েছে এবং কিছু পচনশীল পণ্য আমদানি হচ্ছে একই পদ্ধতিতে। আমরা সার্বক্ষণিক ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখছি। তবে তারা জানিয়েছেন, অনলাইন সিস্টেম সচল কারার জন্য কাজ চলছে।

দুই-একদিনের মধ্যে অনলাইন সিস্টেম সচল হবে বলে ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানান।

আমদানি বন্ধ থাকার কারণে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা পড়েছে কয়েক হাজার পণ্যবাহী ট্রাক। যার অধিকাংশেই বাংলাদেশের শতভাগ রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে। আমদানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দরে লোড-আনলোড প্রক্রিয়া স্বাভাবিক গতিতে চলছে। বিকেল পর্যন্ত ৬৫ ট্রাক মালামাল আমদানি হয়েছে। আর রপ্তানি হয়েছে ৫০ ট্রাক মালামাল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত